চাকরির নামে ৮৩ লক্ষ টাকার প্রতারণা! অভিযুক্ত তৃণমূল বিধায়ক মিতালী।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: ভোটের আগে তৃণমূল থেকে দল ছাড়ছেন একেক জন নেতা মন্ত্রী। দলে থাকাকালীন বিভিন্ন বিষয়ে চুপ থাকলেও, দলত্যাগের পর একে একে অভিযোগ তুলছেন দলের বিরুদ্ধে। আর বম দপ্তরের নিয়গ থেকে শিক্ষকের নিয়োগ, সবকিছুতেই মুখ পুড়ছে রাজ্যের শাসক দলের। রাজ্যের প্রাক্তন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় দলত্যাগের পরই দাবী করেছিলেন বনদফতরের নিয়োগে হয়েছে দুর্নীতি। চাকরির নামে ৮৩ লক্ষ টাকার প্রতারণা! এবার ফের কাঠগড়ায় তৃণমূল।

আরও পড়ুনঃ কাল থেকে চড়বেন, আপাতত উঁকি দিন দক্ষিণেশ্বর মেট্রোর অন্দরমহলে।

চাকরির নামে ৮৩ লক্ষ টাকার প্রতারণা! আর তাতে একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পূর্বেই ফের অস্বস্তিতে শাসক দল। রাজ্য শাসকদলের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে বহুবার টাকার বিনিময় সরকারি চাকরি প্রদান বিশেষত শিক্ষক নিয়োগ করার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি ফের একই অভিযোগ উঠলো ধূপগুড়ির তৃণমূল বিধায়ক মিতালি রায়ের বিরুদ্ধে। অভিযোগ উঠেছে,চাকরি দেওয়ার প্রলোভনে মিতালী রায় অন্তত ১৩ জনের থেকে ৮৩ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে এই মারাত্মক অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার ধুপগুড়িতে এসএফআই এবং ডিওয়াইএফআইয়ের সদস্যরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। অভিযুক্ত ওই তৃণমূল বিধায়কের কুশপুতুল দাহ করে বিক্ষোভ দেখান তারা। অন্যদিকে একই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এদিন শহরজুড়ে বিজেপি সমর্থকরা তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে ধিক্কার মিছিল বের করেন। ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে প্রাথমিক শিক্ষক ও জলসম্পদ বিভাগে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণের থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

তৃণমূলের এক প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধানও তার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ দায়ের করেছেন।যারা অভিযোগ করেছে তাদের দাবি, তাদের কলকাতায় নিয়ে গিয়ে বিকাশ ভবন এবং জলসম্পদ ভবনে ইন্টারভিউও নেওয়া হয়েছিল।এরপর কয়েক জনকে প্রাথমিক শিক্ষক পদের নিয়োগ পত্র দেওয়া হয়। সবটাই হয়েছিল টাকার বিনিময়ে। পরে অবশ্য সেই নিয়োগপত্র জাল বলে প্রমাণিত হয়। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এবং টাকা ফেরত চেয়ে তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে চড়াও হন অভিযোগকারীরা

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

সদ্য প্রকাশিত

এই ক্যাটেগরির আরও খবর