নজরবন্দি ব্যুরোঃ সরকারি গ্রন্থাগার ভবনে দলীয় কর্মীসভা হল তৃণমূলের। যা নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়ছে কুলটি তে। আসানসোল পুরনিগমের উদ্যোগে বেশ কিছুদিন আগে “কমপিটিটিভ লাইব্রেরি” গড়ে তোলা হয়েছিল দুঃস্থ শিক্ষার্থীদের স্বার্থে। কথা ছিল এই সমস্ত শিক্ষার্থীদের জন্যে কমপিটিটিভ লাইব্রেরি তে রাখা হবে প্রতিযোগীতা মূলক পরীক্ষার বই। যদিও গ্রন্থাগার হলেও গ্রন্থ স্থান পায়নি সেখানে।
আরও পড়ুনঃ Kolkata Metro: বড় দিনে বড় উপহার মেট্রোর, এবার সেক্টর ফাইভ টু শিয়ালদা
সেই গ্রন্থহীন গ্রন্থাগারে সেখানেই দলীয় কর্মীসভা করে বিতর্কে জড়াল শাসক দল তৃণমূল। আসানসোল পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের কমপিটিটিভ লাইব্রেরি ভবনে কর্মীসভার আয়োজন করে তৃণমূল। তা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। এত কমিউনিটি হল থাকা সত্ত্বেও কেন একটা সরকারি গ্রন্থাগার ভবনকে দলীয় কাজে ব্যবহার করা হল? তৃনমূলের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠছে এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে খবর, বুধবার জেলা তৃণমূল চেয়ারম্যান উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় সহ অন্য নেতৃত্বের উপস্থিতিতে এই কর্মীসভা হয়। কিন্তু এমনটা কেন করল তৃণমূল নেতৃত্ব তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে আসরে নামেন ওই ওয়ার্ডের তৃনমূল নেতা শিবদাস রায়। তিনি জানান, ‘যেখানে গ্রন্থ নেই, তার নাম গ্রন্থাগার হয় কী করে?’ তাঁর দাবি পুরনিগমের কাছে অনুমতি নিয়েই নাকি এই ভবনটি ব্যবহার হয়েছে।
সরকারি গ্রন্থাগারে নেই গ্রন্থ। নেতা বললেন, ‘যেখানে গ্রন্থ নেই, তার নাম গ্রন্থাগার হয় কী করে’?

এলাকার একদা দাপুটে তৃণমূল নেতা তথা বর্তমান বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তেওয়ারি এই গ্রন্থাগারের উদ্বোধন করেছিলেন। তিনি বলেন, “যার যেরকম রুচি সে সেরকম কাজ করবে। আমার ইচ্ছা ছিল এই ধরনের লাইব্রেরি তৈরি করা উচিত যাতে ছেলেমেয়েরা নিজেদের তৈরি করে চাকরি পাবে,বর্তমানে যারা আছেন তারা ভাবছেন। এসব করার দরকার নেই পার্টি করলেই হবে। দেওয়াল লিখলেই হবে আর পাঁচশো টাকা লক্ষীর ভাণ্ডার পেলেই হবে।”



