নজরবন্দি ব্যুরোঃ নন্দীগ্রামে ফের তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষের সামনে বিক্ষোভ। বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন তৃণমূলের একাংশ। নন্দীগ্রামের শহীদ দিবসে জেলার চেয়ারম্যান পীযূষ ভুঁইয়ার পরিবর্তে শেখ সুফিয়ানকে জায়গা দেওয়ার কারণে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। নন্দীগ্রামে কুণাল ঘোষের সামনে তৃণমূলের বিক্ষোভ এবং হাতাহাতি শুরু হয়। শেখ সুফিয়ানকে স্টেজ থেকে নামিয়ে দেওয়ার দাবি তোলা হয়।
আরও পড়ুনঃ মোটা হলেই হাইকোর্ট থেকে মিলবে জামিন, উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
এদিন মঞ্চ থেকে কুণাল ঘোষকে বলতে শোনা যায়, যাঁরা আপনারা এখানে এসে গন্ডগোল পাকাচ্ছেন তারা বিজেপির লোক। আপনারা পরিকল্পিতভাবে এখানে গন্ডগোল পাকাতে এসেছেন। যার যা বলার আছে আমাকে জানাবে। এমনকি কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, অনুষ্ঠান নষ্ট করতে কেউ তোমাকে পাঠিয়েছে। একইসঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বিকেল ৩ টের মধ্যে মঞ্চ উপড়ে ফেলে দিয়ে আসব। এটা ভূমি উচ্ছেদ কমিটির সভা, এটা দলের সভা নয়। কে উঠেছে, কে ওঠেনি সেটা পরের কথা।

এদিন বিক্ষোভ দেখানোর পর ক্যামেরার সামনে কেউ বলতে রাজি হননি। দলের অভ্যন্তরীণ বিষয় দলের মধ্যেই মিটিয়ে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন্ তিনি। তবে কী দলের তরফ থেকেই তাঁদের স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হল? একইসঙ্গে দলের সকলকে একসঙ্গে নিয়ে চলার বার্তা দিলেন কর্মীরা।
নন্দীগ্রামে কুণাল ঘোষের সামনে তৃণমূলের বিক্ষোভ, বিরাট বিশৃঙ্খলা

এদিন মঞ্চের তলায় দাঁড়িয়ে তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের দাবি, জেলার তমলুক সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান রয়েছেন পীযূষ কান্তি ভূঁইয়া৷ মঞ্চে শেখ সুফিয়ানের জায়গা হলেও জায়গা হয়নি পীযূষকান্তি ভূঁইয়ার! তারপরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা! তাঁদের প্রশ্ন, যদি দলের কর্মসূচি না হয়, তা হলে শেখ সুফিয়ান কী কারণে জায়গা পেলেন? বিক্ষোভকারীদের শান্ত করতে কুণাল ঘোষ মাইক দিয়ে সকলকে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেন।



