নজরবন্দি ব্যুরোঃ সোমবার রামপুরহাট কান্ডকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত বিধানসভা। বিধানসভার মধ্যে হাতাহাতি দুই পক্ষের মধ্যে। আহত হয়েছে দুই পক্ষের সাংসদ। গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি চুঁচুড়া বিধায়ক অসিত মজুমদার। এবার ঘটনায় বিরোধী দলের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, পরিকল্পনামাফিক আইনশৃঙ্খলা নষ্ট করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ Bidhansabha: মারমুখী বিধায়করা, মহিলা কর্মীদের ওপর হামলা, ঘটনার নিন্দা স্পিকারের


এদিন ঘটনার পর সাংবাদিক বৈঠকে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, যখন মুখ্যমন্ত্রী ভাষণ দেন, তখন সভার কাজকে পরিকল্পিতভাবে ব্যহত করার জন্য প্রতিনিয়ত চেষ্টা করেছেন। আজকে অভূতপূর্ব ঘটনা। আজকে তা চুড়ান্ত পর্যায়ে চলে গেছে। যা অত্যন্ত লজ্জাজনক। বিজেপির বিধায়করা মাইক খুলে নিয়েছেন কাগজ ছিঁড়ে দিয়েছেন, তা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। তার কাজে ইতিমধ্যেই বিধানসভার অধ্যক্ষ ৫ জনকে সাসপেণ্ড করেছেন।
তিনি আরও বলেন, সমস্ত ঘটনার মধ্যে পরিকল্পিতভাবে ঘটিয়েছেন। যা রাজ্যের উন্নয়নকে ব্যহত করার জন্য এটা তাঁদের ষড়যন্ত্র। রাজ্যের আইনশৃংখলাকে ব্যহত করছেন। একইভাবে বিধানসভার ঐতিহ্য নষ্ট করার জন্য এবং গঠনমূলক সমালোচনার ব্যবস্থাকে বিঘ্ন করার চেষ্টা করেছেন। তাঁদের এই কাজকে ইতিমধ্যেই আমরা নিন্দা করেছি। কিন্তু আমরা আমাদের বিধায়কদের সতর্ক থাকতে নির্দেশ দিয়েছি। যে ধরনের ষড়যন্ত্র এবং পরিকল্পনামাফিক হামলা হয়েছে তাতে সাংবিধানিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



তাঁর সংযোজন, তাঁদের একটাই লক্ষ্য বাংলাকে অপমান করা। সরকারের যে জনমুখী প্রকল্প তা আটকে দেওয়াই প্রধান লক্ষ্য। বাহুবলে এই কাজ করছেন। শুভেন্দুর এখন অভিভাবক রাজ্যপাল। তাই সুকান্ত মজুমদারকে উপেক্ষা করেই এই সিদ্ধান্ত নেন জানিয়েছেন তিনি।
ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এই ঘটনা অনভিপ্রেত। এই ধরনের ঘটনা আদৌ বাঞ্ছনীয় নয়। বিধানসভার ভিতরে উত্তেজনা হতে পারে উত্তাপ হতে পারে আলোচনার ক্ষেত্রে। যেভাবে মারমুখী বিধায়করা আজকে এসেছিলেন এটা অত্যন্ত নিন্দনীয়।
পরিকল্পনামাফিক আইনশৃঙ্খলা নষ্ট করা হয়েছে, বিজেপিকে কটাক্ষ পার্থর

তিনি আরও বলেন, খুব খারাপ লেগেছে আজ আমার। আমাদের মহিলা নিরাপত্তা কর্মীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন বিধায়করা। এটা অভাবনীয়। বিধানসভায় মহিলাদের সম্মান থাকবে না? এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজঙ্ক। আশা করি বিধায়কদের চিন্তাভাবনার পরিবর্তন হবে।







