নজরবন্দি ব্যুরোঃ বিধানসভার অধিবেশন চলাকালীন বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষে উত্তপ্ত বিধানসভা। ঘটনায় আহত হন দু’পক্ষই। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এই ঘটনা অনভিপ্রেত। এই ধরনের ঘটনা আদৌ বাঞ্ছনীয় নয়। বিধানসভার ভিতরে উত্তেজনা হতে পারে উত্তাপ হতে পারে আলোচনার ক্ষেত্রে। যেভাবে মারমুখী বিধায়করা আজকে এসেছিলেন এটা অত্যন্ত নিন্দনীয়।
আরও পড়ুনঃ Bidhansabha: বিধানসভায় হাতাহাতি, সাসপেণ্ড শুভেন্দু-মনোজ সহ বিজেপির পাঁচ বিধায়ক


তিনি আরও বলেন, খুব খারাপ লেগেছে আজ আমার। আমাদের মহিলা নিরাপত্তা কর্মীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন বিধায়করা। এটা অভাবনীয়। বিধানসভায় মহিলাদের সম্মান থাকবে না? এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজঙ্ক। আশা করি বিধায়কদের চিন্তাভাবনার পরিবর্তন হবে।
সোমবার বাজেট অধিবেশনের শেষ দিনে উত্তপ্ত বিধানসভা। তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষে আহত উভয় পক্ষের বিধায়করা। বিধানসভায় হাতাহাতি অভিযোগ উঠেছে দুই পক্ষের বিরুদ্ধে। ঘটনায় পাঁচ বিজেপি বিধায়ককে সাসপেণ্ড করলেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। সাসপেণ্ড করা হয়েছে বিজেপির বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী, শঙ্কর ঘোষ, দীপক বর্মন, মনোজ টিগ্গা, নরহরি মাহাতোদের।



বিধানসভা সূত্রে খবর, চলতি অধিবেশনের এখনই সমাপ্তি ঘোষণা করছেন না স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই অধিবেশন মুলতুবী রাখা হয়েছে। তাই পাঁচ বিধায়কের সাসপেনশন এখনও অবধি জারি রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফিরহাদ হামিকের পক্ষ থেকে প্রস্তাব দেওয়া হয়, মারপিটের নেতৃত্ব দিয়েছে শুভেন্দু-শঙ্কর-মনোজ। এরপরেই পাঁচ জনকে সাসপেণ্ড করে দেওয়া হয়।
বিজেপির তরফে দাবী করা হচ্ছিল, গত কয়েকদিন রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তাঁরা আলোচনা চেয়েছিলেন বিধানসভায়। ঠিক একই দিনে সেটাই চেয়েছিলেন। কিন্তু স্পিকার তা রাজি না হওয়ায় বিধানসভার ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপির বিধায়করা।
মারমুখী বিধায়করা, মহিলা কর্মীদের ওপর হামলা, নিন্দা স্পিকারের

স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদেরকে শান্ত হওয়ার অনুরোধ জানালেও তাঁরা স্লোগান চালিয়ে যান। তাঁদের অভিযোগ, এরপরেই তৃণমূলের কিছু বিধায়ক বিজেপির বিধায়কদের ওপর চড়াও হন। বিজেপির মুখ্য সচেতক মনোজ টিগ্গার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। তাঁর জামা ছেঁড়া হয় বলে অভিযোগ।







