নজরবন্দি ব্যুরোঃ ঘুরতে যেতে সবাই ভালোবাসে। আনন্দের জন্য, রোজকার ব্যাস্ত জীবন থেকে নিস্তার পেতে ভ্রমণ প্রিয় মানুষ দূরে কোন পাহাড় বা সমুদ্রে কিংবা জঙ্গলে ঘুরতে যান। ফলে বাড়ি ফিরতে না পাড়ায় সেখানেই থাকতে হয় কোন হোটেলে। তবে হোটেলে থাকার সময় যদি আপনার সারা দেহে আঁচড়ের দাগ ভরে যায় কিংবা হটাতই অনুভব করেন আপনার পাশে কেউ বসে রয়েছে কিংবা আপনাকে স্পর্শ করছে তখন আপনার ঠিক কেমন লাগবে?
আরও পড়ুনঃ তারকা সন্তান হয়েও মেলেনি কাজ, বিনোদ খন্নার জ্যেষ্ঠপুত্র এখন কী করছেন?


এমনই এক অদ্ভুদ হোটেলের সন্ধান পাওয়া গেল। তবে এটি কোন ছোট বা ভুতুরে হোটেল নয়। বরং বেশ বিলাসবহুল হোটেল এটি। বহু নামি নামি অতিথিরা এখানে রাত্রিজাপন করেন। সেই হোটেলে থাকা অতিথিরাই হোটেল সম্পর্কে বিস্ফোরক দাবি করেন। এক সময় এই হোটেল রোগ নিরাময়ের কেন্দ্র হিসেবেও জনপ্রিয় ছিল।
এই অদ্ভুদ হোটেলটির নাম বেকার হোটেল অ্যান্ড স্পা। হোটেলের মালিকের নাম টিডি বেকার। তার নাম অনুসারেই হোটেলের নাম রাখা হয়েছে। তবে এইসব তথ্য গুলো যত বাইরে প্রচার হওয়া শুরু করেছে তত হোটেলের বিরুদ্ধে বদনাম রটা শুরু হয়। একটা সময় নাকি সেই হোটেল মানসিক রুগীর ঠেকে পরিনত হয়েছিল। এমনকি ভুতের হোটেল আখ্যা পেয়েছিল।



সূত্রের খবর ওই হোটেলটি নির্মাণ করতে নাকি প্রায় ১০ কোটিরও বেশি টাকা খরচ হয়েছিল। হোটেল টি সেই আমলেই এতো সুন্দর সাঁজসজ্জা এবং রাজকীয় ভাবে সাজানো হয়েছিল যে তা দেখে যে কারোর তাক লেগে যাবে। হোটেলটি ছিল মোট ১৪ তলার। সেখানের জলও ছিল নাকি অমৃত। যেই জল খেতেই নাকি অধিকাংশ জন সেখানে যেতেন। কিন্তু হোটেলের রমরমা বেশিদিন টেকেনি। কিছু বছর পরেই হোটেলটি লসের মুখ দেখে।
শরীরে হঠাৎ ফুটে ওঠে আঁচড়ের দাগ, এই অদ্ভুদ হোটেলটির নাম বেকার হোটেল অ্যান্ড স্পা

হোটেলের জল খেয়ে নাকি এক মানসিক রুগি সুস্থ হয়ে গিয়েছিল ফলে সেই খবর শুনে বহু মানসিক রুগি সেই হোটেলে ভির জমাতে থাকে। এই পরেই রটতে থাকে রটনা। শোনা যায় সেখানে থাকা অতিথি রা নাকি হটাত করেই বিশ্রী গন্ধ শুনতে পেত। আবার কখনও ল্যাভেন্ডার ফুলের সুবাস ভেসে আসত নাকে। আবার কখনও সারা গায়ে ফুটে উঠত আঁচড়ের দাগ। এর পর থেকেই এখনও অবধি সেটি পেতাত্মার হোটেল নামেই পরিচিত।







