নজরবন্দি ব্যুরোঃ শ্রীলঙ্কা টেস্ট সিরিজের জন্য গত শনিবারই ভারতের প্রথম একাদশ ঘোষণা করে বিসিসিআই। সেখানে অন্যান্য পরিচিত তারকারা সুযোগ পেলেও বাদ পরেন ঋদ্ধিমান। যা নিয়ে ক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে সারা বাংলার ক্রিকেটপ্রেমী মানুষ। পাশাপাশি ভারতীয় দল থেকে বাদ পড়তেই কোচ ও বিসিসিআই প্রেসিডেণ্ট কে নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দেন ঋদ্ধিমান। প্রকাশ্যে আসে সৌরভের গোপন ম্যাসেজ। তাতেই নাখুশ দাদা স্নেহাশিস গাঙ্গুলি।
আরও পড়ুনঃ Wriddhiman Saha : টেস্ট সিরিজ থেকে ছাঁটাই ঋদ্ধি, ক্ষোভের আগুন শিলিগুড়িতে


গতকাল সিএবি সচিব স্নেহাশিস গাঙ্গুলিকে ঋদ্ধির প্রতি বোর্ডের পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সাফ জানিয়ে দেন, এই বিষয়ে ঋদ্ধির সপক্ষে কোনও রকমের প্রতিবাদে তারা থাকবেন না। তিনি আরও বলেন, ‘‘সৌরভ ওকে কী টেক্সট পাঠিয়েছে, সেটা সংবাদমাধ্যমে ফাঁস করা ঠিক হয়নি ঋদ্ধির।’’
তবে এই বঙ্গ তরুনের বাদ পড়ার প্রসঙ্গ উঠলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘এটা ভারতীয় বোর্ডের বিষয়। ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা নিয়ে সিএবি-র কোনও বক্তব্য নেই। কোচ ও নির্বাচক কমিটির বক্তব্যের পরে রাজ্য ক্রিকেট সংস্থা কিছু বলতে পারে নাকি?’’
কিন্তু অতীতের দিকে তাকালে দেখা যায়, শরদ পাওয়ারের জামানায় দল থেকে বাদ পড়েছিলেন সৌরভ। সেইসময় দাদার পাশে থেকে প্রতিবাদে গর্জে উঠেছিল গোটা বাংলার ক্রিকেট কর্তারা। এমনকি তাকে দল থেকে বাদ দেওয়ার জন্য কোচের পদ থেকেও সরানো হয় সন্দীপ পাটিলকে। এমনকি বাংলার তৎকালীন ক্রিকেটার ও নির্বাচক ভেঙ্কট ও সমর পাল গিয়ে কথা বলেন শরদ পাওয়ারের সঙ্গে। তারপরেই পাকিস্তান সফরে কামব্যাক করেন সৌরভ।


এটা ভারতীয় বোর্ডের বিষয়, ঋদ্ধি নিয়ে নীরব স্নেহাশিস

সেইপ্রসঙ্গ উস্কে দিয়েই বোর্ডের প্রাক্তন কর্তা বিশ্বরূপ দে জানান, সিএবি প্রশ্ন তুলতেই পারে। তাছাড়া ঋদ্ধির বাদ পড়ার কারণটাই বা কি? তিনি আরও বলেন, ঋদ্ধিমান ফর্মে না থাকলে বাদ পড়লে আলাদা কথা ছিল। কিন্তু নিজের শেষ টেস্টেও তো রান করে দলের জয় এনে দিয়েছে। তাই আমি মনে করি, সিএবি প্রেসিডেন্ট অবিলম্বে বোর্ডকে এ বিষয়ে চিঠি দিয়ে প্রশ্ন করবে।







