সামনেই লোকসভা নির্বাচন ২০২৪। তার আগে সাধারণ জনগণের কাছে পৌঁছানোর জন্য কোন কসুর রাখছেন না শাসক-বিরোধী কোন দল। অন্তর্বর্তী কেন্দ্রীয় বাজেট হোক বা রাজ্য বাজেট একঝাঁক জনমোহিনী প্রকল্পের উদ্বোধন করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে রাজ্যের শাসক দল অনেকদিন ধরেই সরব হয়েছে। এই নিয়ে দিল্লী গেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। ধর্ণায় বসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন : তৃণমূলের ব্রিগেড চলোর দিন সিপিএমের সন্দেশখালি চলো
মনরেগা (MGNREGA) প্রকল্পের অন্তর্গত জব কার্ড হোল্ডারদের টাকা মেটাবে রাজ্য সরকার এমনটাই ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় বঞ্চনাকে হাতিয়ার করে ব্রিগেডের ময়দানে লোকসভা নির্বাচনী প্রচারে নামছে তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই খবর পোষ্ট করেন। সন্ধ্যাবেলা মহেশতলায় জল্প্রকল্প উদ্বোধনের মঞ্চ থেকে তিনি ব্রিগেডের তথ্য জানালেন।

আগামী ১০ মার্চ কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে ব্রিগেড সমাবেশের ডাক দিয়েছে তৃণমূল। প্রধান বক্তা হিসেবে থাকবেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। লোকসভা ভোটের আগে বাংলার দরিদ্র মানুষজনকে প্রাপ্য বকেয়া থেকে বঞ্চিত করে প্রধানমন্ত্রীর মতো হাইপ্রোফাইল নেতাদের বাংলায় প্রচারে আসাকে আক্রমণ শানাতে প্রস্তুত তৃণমূল। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “হাই কোর্টের নির্দেশের কারণেই রাজ্য পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারছে না শাহজাহানকে।” মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাখ্যাও দেন তিনি।

শাহজাহানকে ইচ্ছে হলেই ধরতে পারত রাজ্য পুলিশ, বললেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি
ইডির মামলার পরিপ্রেক্ষিতে তদন্তের জন্য সিট গঠনের নির্দেশ ও পরিবর্তিতে তাতে স্থগিতাদেশের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি। সব মিলিয়ে তাঁর দাবি, আইনি জটের কারণে আটকে শাহজাহানের গ্রেপ্তারি। সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) গ্রেফতার করতে পারবে রাজ্যের পুলিশ। কোনও স্থগিতাদেশ তাতে দেওয়া হয়নি। এমনটাই জানালেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, “স্পষ্ট ভাবে বলছি, পুলিশকে কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। ইডির মামলায় সিট গঠনের উপর স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছিল। আমরা পুলিশকে বলিনি, যে গ্রেফতার করা যাবে না।” আগামী ৪ মার্চ এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।



