সামনেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে সাধারণ জনগণের কাছে পৌঁছানোর জন্য কোন কসুর রাখছেন না শাসক – বিরোধী কোন দল। অবশেষে গ্রেফতার হলেন অজিত মাইতি। রবিবার সন্ধ্যায় প্রথমে আটক করা হয় ওই তৃণমূল নেতাকে। তার বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ তুলেছিলেন গ্রামবাসীরা। রবিবার কার্যত অনেক নাটক চলার পর অবশেষে পুলিশের জালে অজিত।

আরও পড়ুন : “১০ মার্চ ট্রেলার, গোটা সিনেমা ভোটে দেখবেন”- অভিষেক
গ্রামবাসীদের ক্ষোভের মুখে পড়ে তিনি এক সিভিক ভলান্টিরের বাড়িতে প্রায় ৪ ঘণ্টা গা ঢাকা দেন। কিন্তু জনরোষ কমেনি। এরইমধ্যে বিকাল গড়াতেই বিশাল পুলিশবাহিনী গিয়ে হাজির হয় তার বাড়ির সামনে। গ্রামে ছিলেন তিন পুলিশ কর্তা আইজি ট্রাফিক, ডিআইজি বারাসত, এসপি বসিরহাট। তাঁরা গ্রাম ছেড়ে বেরিয়ে রামপুর বাজার এলাকায় আসেন। ঠিক এরপরই অজিতকে বের করা হয়।

অবশেষে গ্রেফতার হন তিনি। কয়েকদিন আগেই তাঁর বাড়িতে হামলা হয়েছিল। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, তাঁর স্ত্রী এবং কন্যার শ্লীলতাহানি হয়েছিল। এই সবের মাঝেই বেড়মজুর ১ নম্বর অঞ্চল সভাপতি করা হয় অজিত মাইতিকে। ২৪ ঘণ্টা কাটতে না-কাটতেই অজিতকে পদ থেকে সরায় দল। পাশাপাশি জানিয়ে দেওয়া হয়, অজিতের পাশে দল নেই। এরপর রবিবার ফের অজিত মাইতিকে ধাওয়া করে সাধারণ মানুষ।

সন্দেশখালি কাণ্ডে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা অজিত মাইতি, সিভিক ভলেন্টিয়ারের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েও হলনা শেষরক্ষা
অজিত মাইতি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘লোকে আমার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ করছে। আমাকে ২০১৯ সালে মারধর করে সিরাজ ডাক্তারের লোকজন তৃণমূলে যোগদান করতে বাধ্য করেছিল। কিন্তু ওদের জমি দখলের ব্যাপারটা আমি জানতাম না। শেখ শাহজাহান, সিরাজদের সঙ্গে থেকে আমিও পচা আলু হয়ে গিয়েছি। আমি দলের পথে থাকতে চাই না। আমি আজই পদত্যাগ করব।’



