নজরবন্দি ব্যুরোঃ দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে হবে, নির্দেশ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের।৬দিন ধরে বিশ্বভারতীতে জারি রয়েছে ছাত্র আন্দোলন। গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে উপাচার্যকে। বন্ধ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ও। পাশাপাশি বন্ধ ভর্তি প্রক্রিয়া এবং ফল প্রকাশও। এই পরিস্থিতিতে আরও কড়া অবস্থান কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের। ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় স্বাভাবিক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে, কেন্দ্রীয় কার্যালয় বন্ধ রাখা যাবে না।


এরপরই জানা গিয়েছে, বুধবার রাতেই বেতন ও পেনশন দেওয়া হয়। অন্যদিকে উপাচার্যের বাড়ি ঘেরাও করে যে আন্দোলন চলছে, তা রাজনৈতিক মদতপুষ্ট, বাড়িতে খাদ্য-জল কিছুই ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বলে কলকাতা হাইকোর্টের কাছে রিট পিটিশন দাখিল করেছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি গতকালই আন্দোলনরত ছাত্র-ছাত্রীরা উপাচার্যের জন্য এবং তাঁর বাড়ির সদস্যদের জন্য খাবার পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে হবে, নির্দেশ দিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রক।

দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে হবে, নির্দেশ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের। এদিকে বিশ্বভারতীতে ১২ জন অধ্যাপক -অধ্যাপিকাকে ৬ মাসের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে। এছাড়া অর্থনীতি এবং সঙ্গীত বিভাগের মোট ৩ জনকেও ৬ মাসের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছিলো। পরবর্তীকালে সেই তিনজন পড়ুয়াকে বহিস্কার করা হয়। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হয় ছাত্র-ছাত্রীরা। উপাচার্যের সরকারি বাসভবন ঘেরাও করে চলে ছাত্র বিক্ষোভ। এই আন্দোলনে “পৌষ মেলা মাঠ বাঁচাও কমিটি” যোগ দিয়েছে। এই আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছে, তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেসের মতো রাজনৈতিক দল।







