নজরবন্দি ব্যুরোঃ আলাপন-ইস্যুর জের! গত কয়েকদিন ধরে বাংলার প্রাক্তন মুখ্যসচিবকে নিয়ে কার্যত তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। তৎপরতা কেন্দ্রেও। রাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে অনুপস্থিতির কারণ দেখিয়ে শো-কজ, দিল্লি-বদলি, নাছোড় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী, আলাপনের পদত্যাগ এবং বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ। গত কয়েকদিনে একের পর এক প্লট উন্মোচন হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ মোদির নেতৃত্বেই ভারতে করোনা নিয়ন্ত্রণে! ঘোষণা শাহের


শো-কজের জবাব গতকাল ৪ পাতায় লিখে দিল্লি পাঠিয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যসচিব, সঙ্গে গেছে রাজ্যের চিঠিও, সেই চিঠি আহতে পেয়ে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে খুঁটিয়ে দেখে নেওয়া হবে পরবর্তী ব্যবস্থা। তবে এবার ব্যাক্তিগত আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় নয়, এই বিতর্কের জেরে আমালাদের পুনরায় বহালের ক্ষেত্রে আরও একধাপ কড়া হয়েছে কেন্দ্র।
এর আগে অল ইন্ডিয়ান সার্ভিসের কর্মীরা অবসর গ্রহণের পর সরকারি-বেসরকারি একাধিক সংস্থার উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত হতেন, তাতে কেন্দ্রের বা পুরাতন সংস্থার কোন ভিজিল্যান্স ছাড়পত্র লাগতো না। গতকাল কেন্দ্রের তরফ থেকে নোটিস জারি করে জানানো হয়েছে, এবার থেকে অবসর প্রাপ্ত কোন আমলাকে পুনরায় বহাল করার আগে তাঁর গত ১০ বছরের কর্মজীবনের সংস্থা বা সংস্থাগুলির থেকে ভিজিল্যান্স ছাড়পত্র আনতে হবে।
তবেই তাঁকে নিয়োগ করা যাবে অন্য জায়গায়। সঙ্গে জানানো হয়ে এবার থেকে সরকারি বা বেসরকারি কোন জায়গাতেই যদি কোন অবসর প্রাপ্ত কোন আমলাকে নিযুক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রেও ওই পদের জন্য বিজ্ঞাপন দিতে হবে, এবং এক জনকে বেছে নিতে হবে আবেদনকারীদের মধ্যে থেকে। বিজ্ঞাপন ছাড়াই প্রয়োজনে পচ্ছন্দসই কোন প্রাক্তন আমলাকে নিতে পারবে না সংস্থা। এছাড়া অবসরের পর আমলাকে ১ বছর ‘কুলিং অফ পিরিয়ড’ ও পালন করতে হবে। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে এই সমস্ত আঁটঘাট বাঁধার কারণ হহল আলাপন ইস্যু। যেভাবে ইস্তফা দেওয়ার কয়েকঘন্টার মধ্যেই তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী নিজের উপদেষ্টা বানিয়েছেন, ভবিষ্যতে আর তা হতে দিতে চাইছে না কেন্দ্র।









