নজরবন্দি ব্যুরোঃ ‘টোটাল ভোট’ এর লক্ষ্যে নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামে ‘টিম মমতা’। রাজ্যে আট দফা নির্বাচনের প্রথম দফা শুরু হতে চলেছে আগামীকাল। এই নির্বাচনের সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচ হতে চলেছে নন্দীগ্রামে। যেখানে মুখোমুখি হবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারী। প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই খবরে নন্দীগ্রাম। মনোনয়ন জমা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর আঘাত পাওয়া থেকে দুই দলের সংঘর্ষে আহত হওয়া বাদ যায়নি কিছুই।
আরও পড়ুনঃ স্ক্রু ঢিলা মোদী-শাহের, তাতেই গড়বড়! ডেবরায় চিন্তত মুখ্যমন্ত্রী!
রাজ্যের ২৯৪ আসনে দলের হয়ে প্রচারে রীতিমতো এক জেলা থেকে অন্য জেলায় দৌড়ে বেড়াচ্ছেন মমতা। তাই নিজের কেন্দ্রে ভোটের প্রচার অনেকটাই ছেড়ে রাখতে হয়েছে দলের অন্য নেতাদের ওপর। তৃণমূল সূত্রে যাদের নতুন নাম হয়েছে ‘টিম মমতা’। দলের রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ সুব্রত বক্সি, রাজ্যসভার দুই সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায় এবং দোলা সেন, রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসু কলকাতা পুরসভার বোরো চেয়ারম্যান সুশান্ত ঘোষ। মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকেই এরা প্রত্যেকে নন্দীগ্রামের বাসিন্দা। বাড়ি ভাড়া করে কেউ থাকছেন নন্দীগ্রামের বটতলা এলাকায়। কেউ আবার রানিচকের হোটেলে। নন্দীগ্রামের মোট ১৭ টি অঞ্চল।
এর মধ্যে ১ নম্বর ব্লকে ১০ টি এবং ২ নম্বর ব্লকে ৭ টি। সোনাচূড়া, গোকুলনগর, সাতেঙ্গাবাড়ি, হরিপুর, সামসাবাদ সব এলাকাতেই প্রচার চালাচ্ছেন তৃণমূলের এই নেতারা। ইতিমধ্যেই রেয়াপাড়াতে বাড়ি ভাড়া নিয়েছেন মমতা ব্যানার্জি। রবিবার থেকে ১ তারিখ এই কেন্দ্রের ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত একটানা তাঁর এখানেই থাকার কথা। ২ টি জনসভা এবং বেশকিছু রোড শো করেছেন মমতা। এরকমই একটি রোড শো চলাকালীন পায়ে চোট পেয়েছিলেন তিনি। যে কারণে এখনও পায়ে ব্যান্ডেজ বাঁধা অবস্থাতেই প্রচার চালাচ্ছেন মমতা। ১ এপ্রিল এখানে ভোট। সুতরাং ৩০ তারিখ বিকেল পর্যন্ত এখানে আরও বেশ কয়েকটি রোড শো এবং জনসভা করবেন তৃণমূল নেত্রী।
‘টোটাল ভোট’ এর লক্ষ্যে নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামে ‘টিম মমতা’। সাংসদ দোলা সেন এক প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমকে কে জানালেন, ‘ছোট-বড় কোনও এলাকাই আমরা বাঘ দিচ্ছি না। নন্দীগ্রামের মানুষ ঠিক করেই নিয়েছেন তাদের ভোটে এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতাদি আরেকবার মমতাদি আরেকবার শপথ নেবেন। একসময় মমতাদিকে যিনি জনগণমন অধিনায়িকা বলতেন এখন মিথ্যাশ্রী বলছেন। জমি আন্দোলন থেকে এসইজেড সব সময় নন্দীগ্রামের পাশে তৃণমূল কংগ্রেস ছিল। বিজেপি কোথাও ছিল না। থাকবেও না’। বিধানসভা ভোটের পারদ যত চড়ছে, নন্দীগ্রাম নিয়ে রাজ্যের সব মহলের মধ্যেও ততই আগ্রহ বাড়ছে। ২রা মে জানা যাবে বাংলার আকাশ রঙিন হবে সবুজ নাকি গেরুয়া শিবিরে।











