নজরবন্দি ব্যুরোঃ নতুন বছরের শুরুতেই এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়েছে নবান্নের শীর্ষ আমলাদের আয়। প্রতি মাসে ভাতা বাবদ পাবেন ৩৪ হাজার টাকা। সাম্পচুয়ারি অ্যালাওয়েন্স(অতিথি আপ্যায়নের ভাতা) পাবেন সমস্ত দফতরের সচিবরা। বিভিন্ন পদের জন্যে নির্ধারিত হয়েছে বিভিন্ন অঙ্কের ভাতা। এদিকে আমলাদের ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও রাজ্য সরকারি কর্মী এবং শিক্ষকরা যে তিমিরে ছিলেন রয়েছেন সেই তিমিরেই। নতুন বছর পড়লেও ডিয়ারেন্স অ্যালাওয়েন্স বা মহার্ঘ্য ভাতা প্রাপ্তির আশামাত্র দেখছেন না তাঁরা।
আরও পড়ুনঃ Holiday List: আগামী ৫ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাঙ্ক, জেনেনিন বন্ধের তারিখ……


মহার্ঘ ভাতা বা DA নিয়ে রাজ্য সরকার নতুন বছরে এখনও পর্যন্ত কোনও ঘোষণা করেনি। তাই দ্রুত ডিএ ঘষনার দাবিতে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েক চিঠি দিল প্রাক্তন শিক্ষক-শিক্ষাকাদের সংগঠন। রাজ্যের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীদের বক্তব্য, রাজ্য সরকার যদি মহার্ঘ্য ভাতা বাড়ায় তাহলে তাঁদের পেনশনের অঙ্কও কিছুটা বাড়ে। সেই কারনেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় কে নতুন বছরে এক কিস্তি ডিএ ঘোষনার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
প্রাক্তন শিক্ষক শিক্ষিকাদের দাবি, নতুন বছরে ডিএ ঘোষিত না হওয়ায় কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীদের সঙ্গে রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের বেতনের পার্থক্য অনেকটাই বেড়েছে। এই মুহুর্তে প্রায় ২৮ শতাংশ কম কম বেতন পাচ্ছেন তাঁরা। এই বৈষম্য যাতে দ্রুততার সাথে দূর করেন মুখ্যমন্ত্রী, সেই দাবি করেছেন তাঁরা।



উল্লেখ্য, ২০২২ সালের আগমনেই উত্তরপ্রদেশ সরকার ডিএ-র সুখবর দিয়েছে সরকারি কর্মচারীদের জন্য। এমনকি হরিয়ানা সরকারও নতুন বছরে সরকারি কর্মীদের ডিয়ারনেস অ্যালাওয়েন্স এবং ডিয়ারনেস রিলিফ বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেছে। অবসরপ্রাপ্তদের ৪ শতাংশ পেনশন বৃদ্ধির ঘোষণা করেছে হরিয়ানা সরকার। হরিয়ানা সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী ১ জানুয়ারি ২০২২ থেকে পেনশনের পরিমাণ ১০ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৪ শতাংশ করা হবে।
কেন্দ্রের সাথে লাফিয়ে বাড়ছে বেতন বৈষম্য, মুখ্যমন্ত্রীকে DA বাড়ানোর দাবি শিক্ষকদের।

প্রসঙ্গত, কোভিড পরিস্থিতিতে মহার্ঘ্য ভাতা এবং অন্যান্য ভাতা বৃদ্ধি বন্ধ রেখেছিল কেন্দ্রও। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে মিটিয়ে দেওয়া হয় যাবতীয় বকেয়া। পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে হোম রেন্ট অ্যালাওয়েন্স (Home Rent Allowance) বা HRA কিংবা ট্র্যাভেল অ্যালাওয়েন্স বা TA এবং DR বৃদ্ধির কথাও ইতিমধ্যেই ঘোষণা করা হয়েছে। এখন রাজ্য কি সিদ্ধান্ত নেয় সেটাই দেখার।







