দিন কয়েক আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি খবর ছড়িয়ে পড়ে যে, স্বাধীনতা দিবসের দিনেই পশ্চিমবঙ্গের চতুর্থ বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের উদ্বোধন হবে। লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের পরেই নাকি ভার্চুয়ালি সবুজ পতাকা নেড়ে হাওড়া-পটনা বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু সত্যিই কী তাই? কী জানাল রেল?
মাত্রাধিরিক্ত গরমেও বন্ধ বন্দে ভারতের এসি। এমনকি দুপুরের খাবারেও দেওয়া হয়েছে পচা খাবার। যাত্রীরা অভিযোগ জানিয়েছেন তাঁরা দুপুরে যে মাংস খেয়েছিল সেটি পুরোটাই ছিল পচা। এমনকি তা দিয়ে ভীষণ ভাবে বাজে দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। হাওড়া থেকে এনজেপি-র দিকে যে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস রওনা দেয় সেখানেই যাত্রীদের এই দুর্ভোগের স্বীকার হতে হয়েছে।
সাধারণ শ্রেনীতে হাওড়া থেকে পুরী যেতে বা পুরী থেকে হাওড়া ফিরতে ভাড়া পড়বে ১১০০ টাকা এবং বিজনেস ক্লাসের জন্যে ভাড়া পড়বে ২২০০ টাকা। সাধের পুরীতে বাঙালির বন্দে ভারতে চড়ে যাত্রা সময়ের অপেক্ষা মাত্র। সকালে ট্রেনে চড়ে পুরী গিয়ে আবার রাতের মধ্যেই ফিরতে পারবেন কলকাতায়। সেমি হাইস্পিড এই ট্রেন সর্বোচ্চ ১৬০ কিলোমিটার স্পিডে চলবে হাওড়া পুরী রুটে বলে খবর।
গত বছরের শেষেই বাংলা থেকে যাত্রা শুরু করেছিল বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। হাওড়া থেকে নিউ জলপাইগুড়ি রুটে প্রথম পূর্ব ভারতে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সুচনা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবার বাংলা থেকেই দ্বিতীয় বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালু হতে চলেছে। শোনা যাচ্ছে, ফেব্রুয়ারিতে হাওড়া থেকে নতুন রুটে ছুটবে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস।