সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নির্দেশে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চ থেকে মামলা চলে যায় বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে। সোমবার প্রাথমিক নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল। এদিনেই সিবিআইয়ের সিটের মাথা থেকে সরিয়ে দেওয়া হল ধরমবীরকে। নতুন দায়িত্ব পেলেন কল্যাণ। এবার থেকে নিয়োগ দুর্নীতি করবেন বাঙালি অফিসার। নির্দেশ দিল হাইকোর্ট।
প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি Manik Bhattachariya –র বিরুদ্ধে কড়া রিপোর্ট দিল সিবিআই। সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়েছে, যে বিপুল সংখ্যক ওএমআর শিট জাল হয়েছে, তার মূল মাথা মানিক ভট্টাচার্য। বাকিদের বয়ানের মধ্যে কোনও তালমিল থাকলেও মানিকের বয়ানের মধ্যে অমিল খুঁজে পাওয়া গেছে।
বুধবার প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিস্তারিত রিপোর্ট প্রকাশ করতে বললেন বিচারপতি। বিচারপতির নির্দেশ ২০১৬ সালে প্রাথমিকে নিয়োগ যে হয়েছিল, সেটার বিষদ রিপোর্ট জমা দিতে হবে। এতেই ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, ঢাঁকি সমতে বিসর্জনের প্রক্রিয়া শুরু করলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।
সোমবার বড় নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁদের জন্য পোর্টাল কিছুদিন খোলা রাখার জন্য পর্ষদকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। আদালতের পরবর্তী নির্দেশ ছাড়া ওই প্রার্থীদের ফলপ্রকাশ করা যাবে না। TET-এ নিয়োগে বড় বদল আনলেন বিচারপতি।
নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে একাধিক বিতর্কের মাঝে গত বছরের শেষের দিকে টেট পরীক্ষায় অংশ নেয় প্রায় ৬ লক্ষ ২০ হাজার চাকরি প্রার্থী। সেই টেটের ফলপ্রকাশ হল শনিবার। ওয়েবসাইটে মিলছে টেট পাশের সার্টিফিকেট, এখনই ডাউনলোড করুন। শনিবার সন্ধ্যে ৬ টা থেকে পর্ষদের ওয়েবসাইটে দেওয়া হচ্ছে টেট পাশের সার্টিফিকেট। দ্রুততার সঙ্গে এই টেট পাশ সার্টিফিকেট দিয়ে স্বচ্ছ্বতার বার্তা আরও দিতে চাইছে শিক্ষা দফতর।
নোটিশে জানানো হয়েছে, ২০১৪ সালে টেট পাশ করে যারা চাকরি পেয়েছেন, তাঁদের সিরিয়াল নম্বর, জন্মের শংসাপত্র। পিতার নাম, বর্তমান ঠিকানা, মোবাইল নম্বর কোন স্কুলে চাকরি করছেন সেবিষয়ে তথ্য দিতে হবে। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এটি অন্যতম বড় পদক্ষেপ। এর ফলে বাড়তে পারে চাকরি বাতিলের সংখ্যা, এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।