নজরবন্দি ব্যুরো: প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি Manik Bhattachariya –র বিরুদ্ধে কড়া রিপোর্ট দিল সিবিআই। সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়েছে, যে বিপুল সংখ্যক ওএমআর শিট জাল হয়েছে, তার মূল মাথা মানিক ভট্টাচার্য। বাকিদের বয়ানের মধ্যে কোনও তালমিল থাকলেও মানিকের বয়ানের মধ্যে অমিল খুঁজে পাওয়া গেছে। এমনটাই জানিয়েছে সিবিআই।
বুধবার আদালতে Manik Bhattachariya –র বিরুদ্ধে কড়া রিপোর্ট দিল সিবিআই। সেখানে বলা হয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের বিভিন্ন বৈঠক মানিক ভট্টাচার্যর নিয়ন্ত্রণে ও নির্দেশে হত। বাকি সদস্যদের যান্ত্রিক সম্মতি দিতে হত। এমনকি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সচিব রত্না চক্রবর্তীকে জিজ্ঞাসবাদ করে সিবিআই জানতে পেরেছে, কিছু কিছু সময়ে চাপের মুখে তাঁকে বিভিন্ন কাগজে সই করতে হয়েছে।

একইসঙ্গে সিবিআই জানিয়েছে, ২০১৬ ও ২০১৭ সালের টেটে বিপুলভাবে নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে। সেই দুর্নীতি জেলাভিত্তিক ফর্মুলায় করা হয়েছিল। বিভিন্ন জেলায় চাকরির দাম ছিল বিভিন্ন। এমনকি কিছু কিছু জেলায় চাকরি নিয়ে দরদাম করা হত। সিবিআই জানিয়েছে, বাকিদের বয়ানে মিল থাকলেও মানিক ভট্টাচার্যের বয়ানে কোনও মিল নেই। তদন্তকে ঘেঁটে দিতে মানিক ভট্টাচার্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই জিনিস করছেন বলে অভিযোগ কেন্দ্রীয় এজেন্সির গোয়েন্দাদের।
Manik Bhattachariya –র বিরুদ্ধে কড়া রিপোর্ট দিল সিবিআই, বিরাট চাপে তৃণমূল বিধায়ক

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এই মুহুর্তে জেলে রয়েছে মানিক ভট্টাচার্য। একইসঙ্গে জেলে রয়েছে তাঁর স্ত্রী ও পুত্র। তাঁর একাধিক সম্পত্তি নিয়েও চর্চা হয়েছে। এই নিয়োগের সঙ্গে শাসক দলের অনেকেই যুক্ত থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে তদন্তকারী সংস্থা আগেই জানিয়েছে, পার্থর সঙ্গে হাত মিলিয়ে নিয়োগ দুর্নীতিতে হাত পাকিয়েছিল মানিক। এখন মানিকের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে সিবিআই যে রিপোর্ট দিয়েছে, তাতে চাপের মুখে তদন্তকারী সংস্থা।



