নজরবন্দি ব্যুরোঃ এর আগে ২০১৬ সালে প্রাথমিকে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পুরো প্যানেল বাতিল করার হুঁশিয়ারি আগেই দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বুধবার প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিস্তারিত রিপোর্ট প্রকাশ করতে বললেন বিচারপতি। বিচারপতির নির্দেশ ২০১৬ সালে প্রাথমিকে নিয়োগ যে হয়েছিল, সেটার বিষদ রিপোর্ট জমা দিতে হবে। এতেই ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, ঢাঁকি সমেত বিসর্জনের প্রক্রিয়া শুরু করলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।
আরও পড়ুনঃ রোজগারের থেকে দল বড়, রাজ্য সরকারের হয়ে DA মামলা আর লড়বেন না অভিষেক?
নিয়োগ দুর্নীতি বিষয়ক একাধিক মামলায় ইতিমধ্যেই একাধিক মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এই মুহুর্তে প্রাথমিকে নিয়োগের ৯ টি মামলা বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে বিচারাধীন। ২০২১ সালে এবং ২০১৬ সালে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের জন্য ইন্টারভিউ হয়েছিল। এর মধ্যে ২০১৬ সালের নিয়োগ নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জানা গেছে, ২০১৬ সালে প্রাথমিক শিক্ষক পদে ৪২,৫০০ জনের নিয়োগ হয়েছিল ২০১৬ সালে। তাঁদের নিয়োগ সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, ২০১৬ সালের শেষ প্যানেলভুক্ত প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করতে হবে। আদালতকে সে বিষয়ে জানাতেও হবে। রিপোর্টে উল্লেখ করতে হবে প্রার্থীর জেলা, জাতি, শ্রেণি-সহ সমস্ত তথ্য।
ঢাঁকি সমেত বিসর্জনের প্রক্রিয়া শুরু, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ নিয়ে জল্পনা

এর আগে ২০১৬ সালের নিয়োগ নিয়ে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বক্তব্য ছিল, যেদিন ২০১৪ র প্রাথমিক টেটের ভিত্তিতে গড়া ২০১৬ র পুরো প্যানেল বাতিল করব সেদিন ঢাকি সমেত বিসর্জনের মানে বলব। তবে কি এবার সেই উত্তর দিতে চলেছেন বিচারপতি? নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এর আগে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় যে সমস্ত নির্দেশ দিয়েছেন, সেই প্রেক্ষিতে রায় ৪২ হাজার জনের চাকরি এখন সুতোয় ঝুলতে শুরু করেছে। ঢাঁকি সমেত বিসর্জনের প্রক্রিয়া শুরু বলছেন অনেকেই।



