যদিও বুধবার বৈঠকে সেই কথা উল্লেখ করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন যে তিনি কোন সাংগঠনিক দায়িত্ব ছিলেন না। কিন্তু এদিন হঠাৎই তিনি শুভেন্দুর পাশে দাঁড়ানোকে বিজেপির অন্দরের ড্যামেজ কন্ট্রোল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
এই পরাজয় পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। এটি আমাদের শেখায় যে, রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সবসময়ই বাস্তবতা এবং কৌশলের উপর নির্ভর করতে হয়। অধীর চৌধুরীর এই পরাজয় আমাদের একটি গভীর শিক্ষা দেয়, যা আমাদের ভবিষ্যতের রাজনীতিতে প্রভাব ফেলবে।
ক্যালকাটা ক্লাবের প্রেসিডেন্ট পদে এবার প্রথমবার লড়তে চলেছেন কোনও রাজ্যের রাজ্যপাল। আর এই তথ্য উঠে এসেছে এক জনপ্রিয় সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে। সেই প্রতিবেদনে বলা হয়, এবার ক্যালকাটা ক্লাবের প্রেসিডেন্ট পদে লড়তে চলেছেন ত্রিপুরা ও মেঘালয়ের প্রাক্তন রাজপাল তথাগত রায়।
দলের লাগাতার মুখ খোলার পর সতর্ক বার্তা পেয়েছেন দিলীপ ঘোষ। কেন্দ্রিয় নেতারা শিক্ষা দিয়েছেন দিলীপকে। তাই দলের ভুল দেখিয়ে দেওয়ার কাজ আর করবেন না বলেই ঘোষণা করলেন তথাগত রায়। ট্যুইটারে নিজের পরিচিতি বদল করার সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি।
আরও একবার রাজ্য রাজনীতির লাইম লাইটে উঠে এসেছেন প্রবীণ নেতা তথাগত রায়। বলা যায় তাঁর মাধ্যমেই আবার ও নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এলো জোড়াফুল ও পদ্মফুলের আঁতাত প্রসঙ্গ।