এবার, ভারতীয় ফুটবল দলের জন্য একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। ২০২৭ সালের এএফসি এশিয়ান কাপের মূল পর্বে খেলার আশা নিয়ে সবাই প্রস্তুত, এবং সুনীল ছেত্রীর নেতৃত্বে তার সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল হতে চলেছে।
ফলে ক্লাব ফুটবলের একটা বড় সময় কেটেছে কলকাতায়। তিন প্রধানই আলাদাভাবে সংবর্ধনা জানাবে। সেনাবাহিনীর তরফ থেকে সম্মানিত করা হবে সুনীলকে। সব মিলিয়ে সুনীলের শেষ ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখতে চায় কলকাতা।
সিরিয়ার কাছে হার এবং কিরঘিজস্থানের বিরুদ্ধে জয়ের ম্যাচেও গোল করেন তিনি।সুনীলের অবসর তাই একটি যুগের অবসান। গত প্রায় এক দশক ধরে সুনীল যে ভাবে ভারতীয় ফুটবলের পতাকাবাহক হয়ে উঠেছিলেন, তা অবশেষে শেষ হতে চলেছে।
কিন্তু এটাও ঘটনা যে, কোয়ালিফাইং রাউন্ডের তৃতীয় পর্বে পা রাখতে না পারাটা ভারতীয় টিমের দিক থেকে খারাপই হবে। অবশ্য অবসর বা বিশ্বকাপের যোগ্যতা পর্বের তৃতীয় পর্যায় নিয়ে ভাবছি না। টিমের এখন আমাকে দরকার। সে দিকেই ফোকাস করছি।’
উল্লেখ্য, সুনীলকে ছাড়াই ২৩ সদস্যের দল বেছে নিয়েছে স্টিমাচ। তবে সুনীল এশিয়াডে খেলবেন। কিংস কাপ শেষ হলেই শুরু হচ্ছে ভারতের এশিয়ান গেমসের অভিযান। কিংস কাপের নিয়ম অনুযায়ী ৯০ মিনিটে ফয়সালা না হলে সরাসরি টাইব্রেকার।
বিশ্ব ফুটবলে সর্বাধিক গোলস্কোরারের তালিকায় প্রথম পাঁচে রয়েছেন। একমাত্র ভারতীয় ফুটবলার হিসেবে খেলরত্ন পুরস্কার পেয়েছিলেন সুনীল ছেত্রী। ২০০৫ সাল থেকে জাতীয় দলের অংশ সুনীল। দেশের জার্সিতে সর্বাধিক ম্যাচ খেলার নজির গড়েছেন।