কুণাল ঘোষ লিখেছেন, "সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং ভুবনেশ্বর অ্যাপোলো হাসপাতালের বিল মেটানোর নথি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তিনি যখন বন্দি ছিলেন তখন তাঁর হাসপাতালের বিল কে মিটিয়ে দিয়েছিল? এই বিষয়টা তদন্ত করে দেখা দরকার। কয়লা দুর্নীতির সঙ্গে সেই টাকার যোগ থাকতে পারে। যদি থাকে তাহলে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করা উচিত। না হলে আমি আদালতের যাব।"
সংসদে আজ তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধের অভিযোগ তোলেন। তিনি দাবি করেন, মনরোগা, আবাস যোজনার বকেয়া টাকা আর কোনও বিলম্ব ছাড়াই রাজ্য সরকারকে দিয়ে দেওয়া হোক।
শুক্রবার কালীঘাটে শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠক শেষে কংগ্রেসকে বিঁধে লোকসভার দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, নিজেদের বিরোধী শিবিরের বিগ বস ভাবার প্রয়োজন নেই। বিরোধীদের মুখ কে হবেন? তা নির্ধারিত হবে নির্বাচনের পরেই। এই অবস্থানে এখনও অবিচল রয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সাম্প্রতিককালের রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছে তাপস বনাম সুদীপের দ্বন্দ্ব। দুই বর্ষীয়ান নেতার এই দ্বন্দ্ব উত্তর কলকাতার তৃণমূলে চিড় ধরিয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে যে বাকযুদ্ধ স্থগিত ছিল, সেই ছাই চাপা আগুনে ঘৃতাহুতি দিলেন বরাহনগরের বিধায়ক তাপস রায়। সুদীপের সঙ্গে বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময়ের প্রশ্নই নেই। সাফ জানিয়ে দিলেন বিধায়ক।
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে লোকসভার দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন বিধানসভার মুখ্য সচেতক তাপস রায়। একইসঙ্গে বার্তা দিলেন দলের প্রতি যারা আনুগত্য দেখিয়েছেন তাঁদের ওপর আস্থা রাখা। কলকাতার অন্দরেই তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল ঘিরে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়।