‘অন রেকর্ড বলছি, মিড ডে মিলে ৪০০০ কোটির জালিয়াতি করেছে তৃণমূল!’ সংসদে বিস্ফোরক ধর্মেন্দ্র প্রধান

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্য বিধানসভায় আজ তোলপাড় করেছে বিজেপি। তিন রাজ্য জয়ের আনন্দে লাড্ডু বিলি হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষ থেকে। চোর চোর স্লোগানও উঠেছে। অন্যদিকে, সংসদে রাজ্যের পাওনা নিয়ে সরব হয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। পাল্টা সরব হয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি বলেন, মিড ডে মিলের টাকা নিয়ে তোলাবাজি করে তৃণমূল!

আরও পড়ুনঃ আন্দোলনের ১ বছর পার, ডোরিনায় আপার প্রাইমারি চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভ

সংসদে আজ তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধের অভিযোগ তোলেন। তিনি দাবি করেন, মনরোগা, আবাস যোজনার বকেয়া টাকা আর কোনও বিলম্ব ছাড়াই রাজ্য সরকারকে দিয়ে দেওয়া হোক। সুদীপ বলেন, এনিয়ে আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছেও আবেদন করব। আমরা চাই বিষয়টি সংসদে আলোচনা হোক। কেন্দ্রের তরফে বাংলার বিরুদ্ধে এই অর্থনৈতিক অবরোধ বন্ধ করা হোক।

'অন রেকর্ড বলছি, মিড ডে মিলে ৪০০০ কোটির জালিয়াতি করেছে তৃণমূল!' সংসদে বিস্ফোরক ধর্মেন্দ্র প্রধান
‘অন রেকর্ড বলছি, মিড ডে মিলে ৪০০০ কোটির জালিয়াতি করেছে তৃণমূল!’ সংসদে বিস্ফোরক ধর্মেন্দ্র প্রধান

সোমবার শীতকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধের অভিযোগের পাল্টা রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি বলেন, ‘সংসদের বরিষ্ঠ সদস্য সুদীপজি কিছু বিষয় তুলেছেন ভারত সরকারের বিরুদ্ধে। মানরোগা, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ক্ষেত্রে বাংলার বিরুদ্ধে অবরোধ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই তথ্য সত্যি নয়। এরা ভারত সরকারের কাছ থেকে বাংলার গরিব মানুষের জন্য টাকা নিয়ে যান। সেই টাকা কাটমানি রাখেন, তোলাবাজি করেন। এটাই এই সমস্যার মূল কারণ।’

‘অন রেকর্ড বলছি, মিড ডে মিলে ৪০০০ কোটির জালিয়াতি করেছে তৃণমূল!’ সংসদে বিস্ফোরক ধর্মেন্দ্র প্রধান

মিড ডে মিলের টাকা নিয়ে তোলাবাজি করে তৃণমূল, সংসদে বকেয়া টাকা চাইতেই সুদীপকে পাল্টা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

ধর্মেন্দ্র প্রধান আরও বলেন, ‘দেশের সব রাজ্য টাকা পয়সার ব্যাপারে সতর্ক। বাংলার সরকার মনে করে তারা এইসব নিয়মের বাইরে। এই সংসদে দাঁড়িয়ে অন রেকর্ড বলছি, মিড ডে মিল প্রকল্পে বাংলা ৪ হাজার কোটি টাকার জালিয়াতি করেছে। এর বিরুদ্ধে তদন্তের আদেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তদন্ত সবকিছু বেরিয়ে আসবে।’ এর পরেই বিস্ফোরক অভিযোগ আনেন ধর্মেন্দ্র। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, এদের নিয়ে সমস্যা হল এরা গরিবের টাকা লুঠ করেন। পার্টিবাজিতে টাকা খরচ করেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ওই মন্তব্যের বিরুদ্ধে প্রবল হইচই শুরু করেন তৃণণূল সাংসদরা।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত