যারা আলু বিক্রি করবেন, তাদের কৃষক বন্ধু প্রকল্প, কিষান ক্রেডিট কার্ড, জমির নথি বা বাংলা শস্য বিমা প্রকল্পে আলুর বিমা করা থাকতে হবে। কৃষকরা বিডিওর কাছে আবেদন করতে পারবেন প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি প্রদান করে।
আরজি কর ইস্যুতেই শীর্ষ আদালতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করল কেন্দ্র সরকার। এই অভিযোগ আনা হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে, অর্থাৎ অমিত শাহের দফতর। অভিযোগ, আরজি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে যে সমস্ত সিআইএসএফ জওয়ানরা এসেছিলেন তাঁদের থাকা-খাওয়ার উপযুক্ত ব্যবস্থা করতে তৃণমূল সরকার ব্যর্থ হয়েছে।
যদিও অ্যাড হক বোনাস বৃদ্ধিতে খুশি রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের একাংশ। রাজ্যের পেনশনার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মনোজ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, সরকার যে পেনশনভোগীদের কথাও মাথায় রেখেছে সেটা সত্যিই ইতিবাচক।
২৯শে নভেম্বর ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে বিজেপির সভা করা নিয়ে জোরদার সংঘাত চলছে রাজ্য সরকার ও গেরুয়া শিবিরের মধ্যে। সিঙ্গেল বেঞ্চের পর ডিভিশন বেঞ্চও বিজেপিকে সভা করার অনুমতি দিয়েছে। সূত্রের খবর, এ বার রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে চলেছে। অন্যদিকে, সে কথার আশঙ্কা করে আগেভাগেই ক্যাভিয়েট দাখিল করল বিজেপি। অর্থাৎ, রাজ্য সুপ্রিম কোর্টে গেলেও বিজেপির বক্তব্য না শুনে একতরফা ভাবে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না শীর্ষ আদালত।
গত জুলাই মাসে নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছিলেন যে পঞ্চায়েত ভোটে যারা রাজনৈতিক সংঘর্ষে মারা গিয়েছেন তাঁদের পরিবারের একজন সদস্যকে সরকারি চাকরি দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর সেই ঘোষণায় শুক্রবার যেন সিলমোহর পড়ল। আজ নবান্নে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে একটি প্রস্তাব পাশ হল। যেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, পঞ্চায়েত ভোটে রাজনৈতিক সংঘর্ষের কারণে যারা মারা গিয়েছেন তাঁদের পরিবারের একজনকে হোম গার্ডের চাকরি দেবে রাজ্য সরকার।
অবশেষে রাজ্যের সরকারি কর্মীদের জন্য বড়সড় খবর শোনাল রাজ্য সরকার। দীপাবলির আগেই ডিএ (Dearness Allowance) বা মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। জানা গিয়েছে, বর্তমান কর্মচারীদের পাশাপাশি পেনশনভোগী তথা অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীরাও পাবেন এই সুবিধা। শুধু তাই নয়, বকেয়া যা আছে সেটাও ক্লিয়ার করে দেওয়া হবে জানানো হয়েছে।