যদিও পরে তিনি এ ব্যাপারে ক্ষমা চান।সোহমের কীর্তির নিন্দা করেছেন তারই দলের সাংসদ দেব। তিনি বলেছেন, ‘সোহমের ক্ষমা চাওয়া উচিৎ’। সব মিলিয়ে এই ঘটনা এখন উচ্চআদালতের দরজায়।
সোহম ও দেব ইন্ডাস্ট্রির মানুষ। দু'জনের পেশাও এক। রাজনৈতিক আদর্শও এক। দেব ও সোহম বন্ধুও বটে। তবু, মারপিটকাণ্ডে সোহমের সমালোচনা করে দেব বলেন, "সোহম আমার বন্ধু। আমার ওর সঙ্গে কথাও হয়েছে। কিন্তু, একজন জনপ্রতিনিধি হিসাবে সে ঠিক কাজ করেনি। শুধু জনপ্রতিনিধি হিসাবে কেন, একজন মানুষ হয়ে আর এক জন মানুষকে মারধর করা উচিৎ নয়। সোহমের সংযত থাকা উচিৎ ছিল।"
শঙ্কু যে অডিও ক্লিপ (এই অডিও ক্লিপের সত্যতা যাচাই করেনি নজরবন্দি) প্রকাশ্যে এনেছেন, সেখানে শোনা গিয়েছে সোহম তাঁর আপ্ত সহায়ককে বিজেপি কর্মীদের মারধর করার নির্দেশ দিচ্ছেন। এমনকি, মেরে চেহারা নষ্ট করে দেওয়ার কথাও বলেছেন। শঙ্কুর দাবি, এই ঘটনা গত একুশের বিধানসভার। সেই সময় সোহম নাকি বিজেপি কর্মীদের ব্যাপক মারধর করিয়েছেন।
অভিষেকের কথায়, "আমি সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সকল নেতা এবং সদস্যদের আর্জি জানাচ্ছি যে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ আমাদের উপর যে আস্থা দেখিয়েছেন, সেটার যাতে আমরা মর্যাদা দিতে পারি এবং সম্মান করতে পারি। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা জনাদেশের কাছে তাঁরা ঋণী। তাঁদের আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করা উচিত।"
এই ঘটনার পর টেকনোসিটি থানার পুলিস এসে ওই রেস্তরাঁ মালিক ও ম্যানেজারকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। কিছু সময় পর তাঁদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে টেকনোসিটি থানার পুলিস।
শুভেন্দুকে গ্রেফতারের দাবিতে মিছিলে তৃণমূল। শুক্রবার দুপুরে মৃত ইসরাফিল খানের বাড়ি থেকে শুরু হয় মিছল। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন চণ্ডিপুরের বিধায়ক সোহম চক্রবর্তী, সাংসদ দোলা সেন থেকে দলের অন্যান্য নেতারা। বৃহস্পতিবার রাতে মৃতের পরিবারকে সমবেদনা জানান তৃণমূলের নেতারা।