নিউ টাউনের একটি রেস্তোরাঁয় মারপিট করে বিতর্কে জড়িয়েছেন চণ্ডীপুরের তৃণমূল বিধায়ক তথা অভিনেতা সোহম চক্রবর্তী। এই ঘটনায় ক্ষমাও চেয়েছেন তিনি। যদিও তাতে বিতর্কের অবসান হয়নি। এবার এই ঘটনায় মুখ খুললেন ডায়মণ্ড হারবারের সাংসদ তথা তৃণমূল সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন: বাংলায় বিজেপির বিপর্যয়, দিল্লিতে দলের পারফরম্যান্স নিয়ে বিস্ফোরক শুভেন্দু


এই ঘটনায় প্রথম থেকেই প্রশ্ন ওঠে, একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে এই ধরনের আচরণ কীভাবে করতে পারেন সোহম? আর অভিষেকের বক্তব্যও অনেকাংশেই তাই। কার্যত তিনি সোহমকে কড়া ভাষায় সতর্ক করে দিলেন। তাঁর কথায়, “জয়ের ক্ষেত্রে মানবিকতা এবং শিষ্টাচার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সকল নেতা এবং সদস্যদের আর্জি জানাচ্ছি যে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ আমাদের উপর যে আস্থা দেখিয়েছেন, সেটার যাতে আমরা মর্যাদা দিতে পারি এবং সম্মান করতে পারি। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা জনাদেশের কাছে তাঁরা ঋণী। তাঁদের আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করা উচিত।”

গত শনিবার। নিউ টাউনের একটি রেস্তোরাঁয় শুটিংয়ের কাজে যান সোহম চক্রবর্তী। ঘটনার সূত্রপাত গাড়ি পার্কিংকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ, সেখানের কর্মীরা তাঁর ও দলের সেকেণ্ড-ইন-কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে গালিগালাজ করেন। তাই মাথা গরম করে সোহম সেই রেস্তোরাঁর মালিককে মুখে ঘুষি মারেন এবং মাটিতে ফেলে লাথি কষান।
কয়েক ঘন্টার মধ্যেই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে আনে রেস্তোরাঁ। সেখানে সত্যিই সেই দৃশ্য (যদিও এই ভিডিও-এর সত্যতা যাচাই করেনি নজরবন্দি) দেখা যায়। ঘটনার দিন আবার নিজের ‘জোর’ দেখিয়ে থানায় রেস্তোরাঁর কর্মীদের দিয়েই মুচলেকা লিখিয়ে নেন সোহম যে তাঁদের কোনও অভিযোগ নেই। পাল্টা অভিনেতা আরও দাবি করেন, তাঁর সঙ্গেই প্রথমে খারাপ ব্যবহার করে রেস্তোরাঁর কর্মীরা। তিনি পার্কিংয়ের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে আনার কথা জানান।


মারপিটকাণ্ডে সোহমকে ‘কড়া’ শাসন অভিষেকের, কী বার্তা তৃণমূল সেনাপতির?

সোমবার সেই পার্কিংয়ের ফুটেজও সামনে এসেছে। সেখানো দেখা যাচ্ছে, রেস্তোরাঁর মালিক যেমন বলেছিলেন, অভিনেতা-বিধায়কের দেহরক্ষীরাও তাঁর কর্মীদের মারধর করেছে সেরকমই দৃশ্য (যদিও এই ভিডিও-এর সত্যতা যাচাই করেনি নজরবন্দি)। সোহমের এই ঘটনার সমালোচনা করেছেন তাঁর বন্ধু এবং দলেরই সাংসদ দেবও।







