দিনের প্রায় 24 ঘণ্টাই ক্লান্তি অনুভব হয়? কথায় কথায় নিস্তেজ হয়ে পড়েন। রাতে যতই ঘুমান না কেন কিছুতেই শরীরে এনার্জি পান না? তাহলে মেনে চলুন এই টিপস গুলি। কারণ আজকাল ৮ থেকে আসি প্রায় প্রত্যেক মানুষই এই সমস্যার ভুক্তভোগী। অনেকে শরীরে এনার্জি বাড়ানোর জন্য ওষুধ খায়। তবে এই ওষুধের কিন্তু বিশাল সাইড এফেক্ট রয়েছে।
সারাদিন স্কুল, কলেজ, অফিস বা বাড়ির নানান কাজ করেও ঘুম আসেনা? রাতে চোখ বন্ধ করে ঘণ্টার পর ঘন্টা শুয়ে থাকলেও ঘুমের দেখা মেলেনা? এই নিয়মে বেশিদিন চললে কিন্তু বেশ কিছু সমস্য দেখা দিতে পারে। তবে কয়েকটি ঘরোয়া উপায়ে মেনে চললে এই সমস্যা থেকে নিষ্কৃতি পেতে পারেন। জেনে নিন সেগুলি কি কি?
এখনকার সময় বেশিরভাগ মানুষেরই রাগ জাগার অভ্যাস থাকে। কেউ কাজের জন্য কেউ আবার মোবাইল ঘাটার জন্য দিনের পর দিন রাত জাগেন। কিন্তু আপনারা কি জানেন দীর্ঘসময় ধরে রাগ জাগার ফলে আপনার মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
গবেষণাটি করা হয় ১৫৯ জন অংশগ্রহণকারীর মধ্যে, দেখা গেছে সঙ্গমের পরে তাঁদের চরম পর্যায়ে পৌছাতে সময় লেগেছে মাত্র ১৫- ১৬ মিনিট। তাঁদের ঘুমের মান ও অনেক উন্নত যারা নিয়মিত সঙ্গম করেন, অন্যদিকে যারা শুধুমাত্র স্বমেহনে অভ্যস্ত তাঁদের মধ্যে ঘুমের সমস্যা দেখা যায়।
এই ইনসুলিন ট্রিপটোফ্যান মস্তিষ্কে পাঠায়। মস্তিষ্কে ট্রিপটোফ্যান থেকে বিভিন্ন নিউরোট্রান্সমিটার সিনথেসিস হয়। এগুলির মধ্যে অন্যতম সেরোটোনিন। মস্তিষ্ক শীতল ও ঠান্ডা রাখে সেরোটোনিন। মস্তিষ্ক ঠান্ডা হলে শরীরও নিস্তেজ হতে থাকে। ফলে ঘুম পায়। আম খাওয়ার পর ঘুম পাওয়ার কারণ এটাই।
ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াবিশেষ কোনো রোগের চিকিৎসা নিতে থাকলে ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে। অ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধ (বিশেষ করে ক্লোজাপাইন) এবং আলঝেইমার্স রোগে ব্যবহৃত ওষুধের প্রভাবে লালা ঝরে।
বর্তমানে তুমুল ব্যস্ততার যুগে বিশ্বের বহু মানুষ এই রোগে ভুগছেন। কিন্তু গা করছেন না কেউই। কিন্তু জানেন কি, এই রোগ পুষে রাখলে ক্রমশই আপনার স্মৃতিলোপ পেতে থাকবে, দেখা দেবে আরও নানান শারীরিক জটিলতা? তাই আজই সতর্ক হোন। অন্যান্য দিবসের মতই ১৮ মার্চ বিশ্ব ঘুমদিবস (World sleep day) হিসেবে পালন করা হয়।