ভাস্বরএর এই আবেদনের সাড়া দিয়েছেন নতুন সাংসদ। তিনি বলেছেন, ‘ নিশ্চই ভাস্বরদা। বিষয়টি অবশ্যই খতিয়ে দেখা হবে। এর জন্য যদি আপনি এমন কোনও কনট্যাক্ট দিতে পারেন যাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে আমার টিম ওই নির্দিষ্ট জায়গাটি দেখে আসতে পারে। দয়া করে ইনবক্স করুন’।
সায়নী পেয়েছেন ৭ লক্ষ ১৭ হাজার ৫২১ ভোট। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন বিজেপির অনির্বাণ গাঙ্গুলি। তিনি পেয়েছেন ৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৬১। আর সিপিআইএম-এর সৃজন ভট্টাচার্য্য শেষ করলেন তৃতীয় স্থানে। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ২ লক্ষ ৫৮ হাজার ৩৬৫ ভোট।
এককালের বাম দুর্গ হিসাবে পরিচিত যাদবপুর তৃণমূলের দখলে বেশ কয়েক বছর ধরেই। লোকসভার প্রেক্ষিতে ১৯৯৮ সালে প্রথম সিপিআইএমের মালিনী ভট্টাচার্যকে হারিয়ে দেন সেবারের ঘাসফুল প্রার্থী কৃষ্ণা বসু। এরপর বামেরা আবার ক্ষমতায় ফেরে ২০০৪ সালে। জেতেন সুজন চক্রবর্তী।
তবে এই ঘটনার পর সায়নি ঘোষের দেখা পাওয়া যাচ্ছে না। এনিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। তবে তার মধ্যে খবর আসে বেলেঘাটার একটি খুঁটি পুজোতে যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু তিনি যাননি। একাধিক অভিনেত্রী সেখানে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু দেখা যায়নি সায়নীকে। এনিয়ে নানা জল্পনা ছড়িয়েছে।
এখন রাজ্যজুড়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে। সায়নী ঘোষ পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রচারের তালিকায় রয়েছেন। সেখানে তাঁকেই তলব করে ইডি বেশ চাপ তৈরি করল বলে মনে করা হচ্ছে।