এবার টিকিট না পেলেও উনিশে মিমি পেরেছিলেন, সায়নী পারবেন তো যাদবপুরে ঘাসফুল ফোটাতে?

Jadavpur Loksabha: এককালের বাম দুর্গ হিসাবে পরিচিত যাদবপুর তৃণমূলের দখলে বেশ কয়েক বছর ধরেই। লোকসভার প্রেক্ষিতে ১৯৯৮ সালে প্রথম সিপিআইএমের মালিনী ভট্টাচার্যকে হারিয়ে দেন সেবারের ঘাসফুল প্রার্থী কৃষ্ণা বসু।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

জনগর্জন সভা থেকে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের ৪২ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গত বারের প্রার্থীদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে বাদ দেওয়ার পাশাপাশি নতুনদেরও টিকিট দেওয়া হয়েছে। তালিকায় রয়েছেন বিধায়কত্রৃণমূলও। এবার জয়ী প্রার্থী মিমি চক্রবর্তীকে সরিয়ে আর এক অভিনেত্রী সায়নী ঘোষকে যাদবপুরের টিকিট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্যের শাসক দল।

আরও পড়ুন: ভাঙা সম্পর্কের ‘লড়াই’ এবার ভোটের ময়দানে, বিষ্ণুপুরে মুখোমুখি সৌমিত্র-সুজাতা

এককালের বাম দুর্গ হিসাবে পরিচিত যাদবপুর তৃণমূলের দখলে বেশ কয়েক বছর ধরেই। লোকসভার প্রেক্ষিতে ১৯৯৮ সালে প্রথম সিপিআইএমের মালিনী ভট্টাচার্যকে হারিয়ে দেন সেবারের ঘাসফুল প্রার্থী কৃষ্ণা বসু। এরপর বামেরা আবার ক্ষমতায় ফেরে ২০০৪ সালে। জেতেন সুজন চক্রবর্তী।  ২০০৯ সালে আবার সুজনকেই হারিয়ে দেন তৃণমূলের গায়ক প্রার্থী কবীর সুমন। ২০১৪, ২০১৯-এও যথাক্রমে সুগত বোস ও মিমি চক্রবর্তী জেতেন তৃণমূলের পক্ষে। এবার সেই মিমি চক্রবর্তীকে সরিয়েই সায়নী ঘোষকে যাদবপুরের টিকিট দিল তৃণমূল।

এবার টিকিট না পেলেও উনিশে মিমি পেরেছিলেন, সায়নী পারবেন তো যাদবপুরে ঘাসফুল ফোটাতে?
এবার টিকিট না পেলেও উনিশে মিমি পেরেছিলেন, সায়নী পারবেন তো যাদবপুরে ঘাসফুল ফোটাতে?

সূত্রের খবর, মিমি চক্রবর্তী নিজেই রাজনীতি থেকে সরতে চাইছিলেন। তাছাড়া যাদবপুর কেন্দ্রে তাঁর কাজ নিয়েও একাংশের ক্ষোভ রয়েছে। কেন্দ্রে যথেষ্ট সময় দেন বলেও অভিযোগ মিমির বিরুদ্ধে। সেই অর্থে, সায়নী ঘোষ রাজনীতিতে মিমির চেয়ে অনেক বেশি সক্রিয়। ভোটে দাঁড়ানোর আগে থেকেই তিনি সংগঠনের কাজ করে থাকেন।

এবার টিকিট না পেলেও উনিশে মিমি পেরেছিলেন, সায়নী পারবেন তো যাদবপুরে ঘাসফুল ফোটাতে?

সায়নী বরাবর বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর আদর্শ। দলীয় কাজে সায়নীর আগ্রহ ও অংশগ্রহণ চোখে পড়ার মতো। রাজনীতির ময়দানে বেশিরভাগ সবসময় শাড়িতে দেখা যায় তাঁকে। অনেকটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কায়দায় হাঁটার চেষ্টাও করেন। তাছাড়া রাজনৈতিক বিষয় সম্পর্কেও তিনি যথেষ্ট ওয়াকিবহাল।

এবার টিকিট না পেলেও উনিশে মিমি পেরেছিলেন, সায়নী পারবেন তো যাদবপুরে ঘাসফুল ফোটাতে?

এবার টিকিট না পেলেও উনিশে মিমি পেরেছিলেন, সায়নী পারবেন তো যাদবপুরে ঘাসফুল ফোটাতে?

তবে, একুশের বিধানসভা নির্বাচনেও সায়নীকে টিকিট দেয় তৃণমূল। আসানসোল দক্ষিণ কেন্দ্রে অগ্নিমিত্রা পালের কাছে মাত্র ৪ হাজারের সামান্য বেশি ভোটে হারেন তিনি। এবার চ্যালেঞ্জ আরও বড়। যাদবপুর কেন্দ্র। অনেকদিন ধরেই বামেরাও ধীরে ধীরে যাদবপুরে নিজেদের হারানো জমি পুনরুদ্ধারের চেষ্টায় রয়েছে। বিজেপির যাদবপুরের প্রার্থী অনির্বাণ গাঙ্গুলি। এবার যাদবপুরে দ্বিমুখী না ত্রিমুখী লড়াই হয় সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত