তাপস টাকা তুলে কুন্তলকে দিলেও কুন্তল প্রাথমিক পর্ষদের কেউ নন। তাহলে প্যানেলে থেকে যিনি টাকা নিয়েছেন, সেই আধিকারিক কোথায়? এত বড় দুর্নীতি, তবে সিবিআই কি ব্যর্থ? এরপরেই বিচারক বলেন, তদন্তকারী আধিকারিক নিশ্চিতভাবে ভাল কাজ করছেন। কিন্তু ‘ইয়ে দিল মাঙ্গে মোর’।
সিবিআই তদন্ত নিয়ে পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে রাজ্যের তরফে এজি বলেছিলেন, "ইডির আবেদনের ভিত্তিতে পুরসভার দুর্নীতি নিয়ে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু পুরসভার দুর্নীতি নিয়ে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু পুরসভার মামলা ওই বিচারপতির বিচারাধীন নয় তবে তিনি কীভাবে নির্দেশ দিতে পারেন।? হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ঠিক করেন কোন মামলার শুনানি কোন বিচারপতি করবেন!
নিয়োগ দুর্নীতিতে শোরগোল রাজ্য-রাজনীতিতে! একের পর এক শাসক দলের হেবিওয়েট নেতারা এখন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার জালে। নেতা-মন্ত্রীদের পাশাপাশি শিক্ষা দফতরের একাধিক আধিকারিকদেরও গ্রেফতার করেছে সিবিআই। কিন্তু তদন্ত চলেও সেই তদন্ত এখনও ধীর গতিতে চলছে। আর এবার এই ধীর গতির তদন্তের জন্যই আদালতের তাড়া খেল সিবিআই।
শান্তনুর গ্রেফতারির ৫৯ দিন পর এবং অয়নের গ্রেফতারির ৪৯ দিন পর চার্জশিট পেশ করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সোমবারই আলিপুরের নগর দায়রা আদালতে নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে মোট সাত জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মোট ১১৩ পাতার চার্জশিট পেশ করেছে ইডি। এই মামলার সাক্ষী হিসাবে ৩৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে চার্জশিটে।
সংসদের কাছ থেকে নিয়োগ হয়েছিল কিন্তু তালিকা তৈরি না করে মৌখিক নির্দেশে নিয়োগ করা হয়েছিল। এবার হয়তো সিবিআইয়ের কাছে তালিকা জমা দেওয়া হবে তা মিথ্যে হতে পারে। শিক্ষা সংসদের তরফে যে আধিকারিকরা নিজাম প্যালেস যাবেন তাদের বয়ানও লিপিবদ্ধ করা হবে।
“বাম আমলে শূন্য পাওয়া মানুষেরও চাকরি দেওয়া হয়েছে। সেই নথি রয়েছে।” তাঁর কথায়, “বাম আমলে অনেক ভাল মার্কস পাওয়া লোককে শূন্য দেওয়া হয়েছে। অনেক শূন্য পাওয়া মানুষের চাকরি হয়েছে। যদি কখনও মুখ্যমন্ত্রী লিস্ট চান, তাহলে সেই লিস্ট আমি মুখ্যমন্ত্রীর হাতে তুলে দেব।”