এর পরেই শাস্ত্রীর কাছে অশ্বিন সরাসরি জানতে চান, তিনি কোচিংয়ে ফিরতে ইচ্ছুক কিনা। জবাবে শাস্ত্রী বলেছেন, “তেমন ইচ্ছা নেই। ভারতীয় দলের সঙ্গে প্রায় সাত বছর কাটিয়েছি। তবে ভবিষ্যৎ কেউ বলতে পারে না। কেমন পরিস্থিতি তৈরি হবে এবং কোনও ভাবে জড়িত হতে হবে কি না, বলা সম্ভব নয়”।
২০২০-২১ সালে রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও ২০২১-২২ সাল জসপ্রীত বুমরাহ সেরা ক্রিকেটারের অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। অপর দিকে মহিলাদের বিভাগে ২০২০-২১ ও ২০২১-২২ সালে সেরার শিরোপা পেয়েছেন স্মৃতি মন্ধনা ও ২০১৯-২০ ও ২০২২-২৩ সালের সেরা নির্বাচিত হয়েছেন দীপ্তি শর্মা।
প্রাক্তন ক্রিকেটার এবং বিশেষজ্ঞ সঞ্জয় মঞ্জরেকর এই দলটিকে সেরা বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘নির্বাচক তার কাজ করেছেন। এটা খুবই ভালো দল। এখন দেশের প্রত্যাশা পূরণের দায়িত্ব খেলোয়াড়দের।’
নিচের দিকে একাধিক বাঁ হাতি ছিল। ১৯৯৬ সালে শ্রীলঙ্কা প্রমাণ করে বাঁ হাতির গুরুত্ব। জয়সূর্য, গুরুসিনহা, রণতুঙ্গা ছিল। বাঁ হাতি ব্যাটারের প্রয়োজনীয়তার কথা তো বলে দিলেন শাস্ত্রী। এবার বল নির্বাচকদের হাতে। দল গঠনের সময় তাঁরা কী সেই দিকে নজর দেবেন? সেটাই এখন দেখার।
এখান থেকে ওরা ভুল করলে তবেই ভারত ম্যাচে ফিরতে পারবে। খুব ভাল ব্যাট করেছে ওরা। বিশেষ করে ম্যাচের প্রথম সেশনে। তাতেই ওরা ম্যাচের রাশ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়।”