জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ৮(১) ধারা অনুযায়ী, কোনও অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে সাংসদ-বিধায়কের দু’বছর বা তার বেশি কারাদণ্ড হলে তৎক্ষণাৎ তাঁর সাংসদ বা বিধায়ক পদ চলে যায়।
বস্তুত, নিজের সাংসদ পদ বাতিল হয়ে যাওয়াকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করার চেষ্টা করছিলেন রাহুল। বলেই মনে করছে বিজেপি। অবশেষে সোমবার তিনি সুরাটের সেশনস কোর্টে আবেদন করতে চলেছেন বলে সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি।
বলেন, রাহুল গান্ধী দেশের কলঙ্ক। রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেস ভারতের গণতন্ত্রের প্রতি আস্থাশীল নয়, রাজনৈতিক ও আইনি লড়াইতে তারা বিশ্বাস করে না। তারা চায় বিদেশি হস্তক্ষেপ।
সরকারি বাংলো ছাড়তে বলেছে লোকসভার হাউজিং প্যানেল। যদিও নোটিস পাওয়ার কথা স্বীকার করেনি রাহুল গান্ধীর টিম। তবে এই নোটিসের পরই নতুন করে রাহুলের নিরাপত্তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে।
এক সপ্তাহ পর খুলে দেওয়া হল রাহুল গান্ধীর টুইটার। দিল্লি ধর্ষণ-কাণ্ডের নির্যাতিতার বাবা-মায়ের ছবি পোস্ট করার অভিযোগে ব্লক করে দেওয়া হয়েছিল কংগ্রেস সাংসদের টুইটার আ্যাকাউন্ট।