নজরবন্দি ব্যুরোঃ আমেরিকার পর এবার রাহুল গান্ধীর সাংসদ পদ খারিজ নিয়ে মুখ খুলল জার্মানি। কার্যত রাহুলের পাশে দাঁড়াল তাঁরা। মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকার কংগ্রেস নেতার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা উচিত বলে জানিয়েছে দেশটির বিদেশমন্ত্রক।
আরও পড়ুনঃ মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট, প্রস্তুতি তুঙ্গে।



জার্মানির এই প্রতিক্রিয়ার পাল্টা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। পরামর্শ দিয়েছেন ভারতের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক না গলানোর জন্য।জার্মানির বিদেশমন্ত্রক এক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, আমরা রায় দেখেছি। বিরোধী রাজনীতিক রাহুল গান্ধীর সাংসদ পদ খারিজের বিষয়টি দেখেছি।

আমরা যা জানি রাহুল গান্ধী ওই রায় নিয়ে উচ্চ আদালতে আবেদন করতে পারবে। তখনই এটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। এই রায় বহাল থাকবে কি না, তাঁর সাংসদ পদ খারিজের কোনও ভিত্তি রয়েছে কি না। আমাদের প্রত্যাশা হচ্ছে, বিচারবিভাগীয় স্বাধীনতা ও মৌলিক গণতান্ত্রিক নীতি প্রয়োগ হবে এই ঘটনায়।



এই মন্তব্যের পর ধন্যবাদ জানিয়ে কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিং বলেন, “রাহুল গান্ধীকে সাজা দিয়ে ভারতে কীভাবে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করা হচ্ছে, সেই বিষয়টি তুলে ধরার জন্য জার্মানি বিদেশ মন্ত্রককে ধন্যবাদ।” কং নেতার এই মন্তব্যের পর কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ বলেন, “ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি হস্তক্ষেপ চাইছে কংগ্রেস। দিগ্বিজয়ের এই মন্তব্য থেকেই তা স্পষ্ট।”
রাহুল গান্ধী ইস্যুতে কং এর পাশে জার্মানি, তোপ দাগল বিজেপি

অপর দিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর আবারও রাহুল গান্ধীকে কাঠগড়়ায় দাঁড় করিয়েছেন। তিনি বলেছেন, রাহুল গান্ধী বরাবরই দেশের আভ্যন্তরীন বিষয়ে বিদেশের হস্তক্ষেপ চেয়ে থাকেন। জার্মানির এই মন্তব্য আরও একবার তাঁদের অভিযোগে সিলমহর দিল বলেও দাবি করেন তিনি। বলেন, রাহুল গান্ধী দেশের কলঙ্ক। রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেস ভারতের গণতন্ত্রের প্রতি আস্থাশীল নয়, রাজনৈতিক ও আইনি লড়াইতে তারা বিশ্বাস করে না। তারা চায় বিদেশি হস্তক্ষেপ।








