নজরবন্দি ব্যুরোঃ ভোট গ্রহনের বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার পর ন্যূনতম ২১ থেকে সর্বাধিক ৪৫ দিনের ব্যবধান জরুরি। তাই মাঝামাঝি সময়কে ভিত্তি ধরে নিয়ে মে মাসের মধ্যে গোটা ভোট প্রক্রিয়া শেষ করতে চায় রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে ভোট গ্রহণ হতে পারে রাজ্যে। সেক্ষেত্রে এপ্রিল মাসের শেষে অর্থাৎ আগামীকাল বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার সম্ভাবনা।
আরও পড়ুনঃ BJP-র বদলে মমতার নিশানায় CPIM, পঞ্চায়েতে সিঁদুরে মেঘের পূর্বাভাস!

ভোটের লক্ষ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ ইতিমধ্যেই সেরে রেখেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। জেলাগুলির সঙ্গে আলোচনা চলছে দফায় দফায়। বুথ সংখ্যা চূড়ান্ত করা, ভোটকেন্দ্র তৈরি, জেলাগুলিকে তার তালিকা প্রকাশের সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ৫ এপ্রিলের মধ্যে ভোটকেন্দ্র সংক্রান্ত খসড়া তালিকা প্রকাশ করতে হবে। এছাড়াও বলা হয়েছে ২৫ এপ্রিলের মধ্যে অভিযোগ থাকলে তার নিষ্পত্তি করে ২৮ এপ্রিলের মধ্যে চূড়ান্ত তালিকা কমিশনের কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠাতে হবে জেলাগুলিকে।

পাশাপাশি নির্বাচন পরিচালনার জন্য টিম তৈরির কাজও চলছে। হিসেব অনুযায়ী, পঞ্চায়েত নির্বাচনের কাজের জন্য ২২টি জেলায় ৩০ শতাংশ সংরক্ষণ–সহ প্রায় সাড়ে তিন থেকে চার লক্ষ সরকারি কর্মীর প্রয়োজন পড়বে। এবারের নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করার জন্য সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানাচ্ছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর সম্ভাবনা।
মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট, প্রস্তুতি তুঙ্গে।

যদিও নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি তুঙ্গে থাকলেও রাজ্য সরকার পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্যে তেমন গা দিচ্ছে না বলে খবর। সেক্ষেত্রে মে মাসের শেষের দিকেও নির্বাচন গড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে সূত্রের দাবি সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ১০ই মে রাজ্যে প্রথম দফার ভোট গ্রহনের সম্ভাবনা রয়েছে।



