নজরবন্দি ব্যুরোঃ আবার শিয়রে ভোট, রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন কড়া নাড়ছে। সব ঠিক থাকলে এপ্রিল মাসেই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে বিজ্ঞপ্তি জারি করতে চলেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। আর মে মাসেই গোটা ভোট প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে চাইছে। সূত্রের দাবি আগামী ৭ই মে থেকে শুরু হতে পারে রাজ্য পঞ্চায়েত নির্বাচন। কমপক্ষে ৬ টি দফায় ভট গ্রহনের সম্ভাবনা রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ শতরূপ ঘোষকে মানহানির নোটিশ ধরালেন কুণাল, তালিকায় আরও দুই নেতা
এদিকে, কিছুদিন আগেই সাগরদিঘি বিধানসভা নির্বাচনে সিপিআইএম কংগ্রেসের জোট প্রার্থীর কাছে বিপুল ব্যবধানে হেরেছে রাজ্যের শাসক দল। ৬৪ শতাংশ সংখ্যালঘু ভোটারের বিধানসভায় প্রায় ১৫ শতাংশ ভোটের ব্যবধানে হেরে পঞ্চায়েতে সিঁদুরে মেঘ দেখছে তৃণমূল নেতৃত্ব। কিছুটা হলেও শঙ্কিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের সংখ্যালঘু মন্ত্রী এবং দলের হেভিওয়েট নেতাদের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে সংখ্যালঘু ভটে ধস নামার কারণ জানতে চেয়ে।

একদিকে যখন সংখ্যালঘু ভোটে ধস নেমেছে তখন অন্যদিকে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছে রাজ্যের শাসক দল। এক ডজন নেতা মন্ত্রী বিভিন্ন দুর্নীতির ইসুতে জড়িয়ে এই মুহুর্তে জেলবন্দি। অন্যদিকে পঞ্চায়েতে শাসক দলের হাতিয়ার সরকারী কর্মীরা সময়ে পর্যাপ্ত ডিএ না পেয়ে চরম ক্ষুব্ধ। সব মিলিয়ে নাকানি চোবানি খাচ্ছে রাজ্যের শাসকদল।
BJP-র বদলে মমতার নিশানায় CPIM, পঞ্চায়েতে সিঁদুরে মেঘের পূর্বাভাস!

এই চরম অবস্থা কাটিয়ে উঠতে ফের একবার আসরে নেমেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির বিরুদ্ধে ‘ওয়াসিং মেশিন’ আক্রমণ শানানোর পর আজ মহার্ঘ্য ভাতা এবং চাকরি দুর্নীতি ইস্যুতে সিপিআইএম কে কাঠ গড়ায় তুললেন মমতা। ‘যাঁরা গণশক্তিতে কাজ করেন তাঁদের প্রত্যেকের স্ত্রী শিক্ষিকা। সব চিরকুটের চাকরি। জনগণের টাকা নিয়ে পেনডাউন করবেন?’

এর পরেই মুখ্যমন্ত্রীর সংযোজন, ‘যারা পেনডাউন করেছেন তারা চিরকুটে চাকরি পেয়েছেন। সব ফাইল খুঁজে বের করতে বলেছি। টাকা নিচ্ছে। পেনশন নিচ্ছে। আরও চাই। আমরা ষষ্ঠ বেতন কমিশন অনুযায়ী ১০৬ শতাংশ ডিএ দিয়েছি। সব বকেয়া মিটিয়ে দিয়েছি।’



