শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এখন আপাতত জেলই তাঁর ঠিকানা। পুজোতেও জেলবন্দী হয়েই দিন কাটবে প্রাক্তন মন্ত্রীর।
ইডির চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী বাবলি চট্টোপাধ্যায় প্রয়াত হলে তাঁর নামে একাধিক সংস্থায় যে শেয়ার ছিল, তা হস্তান্তর করা হয় অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের নামে। পার্থ-ঘনিষ্ঠ এক হিসাবরক্ষক চাপ দিয়ে এই কাজটি করিয়েছিলেন। ইডি-কে লিখিত বয়ানে এমনটাই জানিয়েছেন অর্পিতা।
পার্থ চট্টোপাধ্যায় বিচারপতিকে নিজের শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে বলেন, তিনি সুস্থ থাকার জন্যে দিনে ২৮ টা ওষুধ খান। একাধিক ক্রনিক ডিজিজে ভুগছেন। সব মিলিয়ে সর্বক্ষনের সঙ্গী শারীরিক কষ্ট, জেলে থাকায় সেই কষ্ট অনেকটাই বেড়েছে তাই তাঁকে জামিন দেওয়া হোক। যদিও মনোবাঞ্ছা পূর্ণ হয়নি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের।
মোট ১০০টি সন্দেহজনক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এমনকি, ‘সিমবায়োসিস’ নামে একটি সংস্থার নাম করে তাঁরা এ-ও জানান যে, ওই সংস্থার নামে বাজারে শেয়ার ছেড়ে কালো টাকা সাদা করা হয়েছে। কোটি কোটি টাকায় বিক্রি হয়েছে সেই শেয়ার।
গতকাল পার্থকে আদালতে ভার্চুয়ালি হাজির করানো হয়েছিল। তবে তাকে সশরীরে হাজিরার আবেদন জানিয়েছিলেন তার আইনজীবী। যদিও বিচারক জানিয়ে দেন যে কারা কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পার্থ আইনজীবীর আর দাবি যে সংস্থাগুলির হদিস পাওয়া গিয়েছে তাতে পার্থর নাম নেই।
বিজেপির রাজনিতীকে ব্ল্যাকমেলিং পলিটিক্স নাম দিয়ে মমতা বলেন, “তৃণমূলকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করবেন না। আমরা কারও খাই না, কারও পরি না। জেনে বুঝে কারও ক্ষতি করিনি। রক্তপাতে আমার ভয়। মশা মারতেও ভয় পাই। আমাদের অপমান করা হচ্ছে।”
কমিটির বৈঠকের ভাতা বাদ দিলে বেতন বাবদ ২১,৮৭০ টাকা পান বিধায়করা। কিন্তু, বিভিন্ন কমিটির বৈঠকে যোগ দিয়ে এক এক জন বিধায়ক মোট বেতন পান ৮২ হাজার টাকা। কিন্তু, এ ক্ষেত্রে বিধানসভার কমিটি ও স্থায়ী সমিতির কোনও কমিটিতেই নেই পার্থ। তাই তাঁকে এমতাবস্থায় ২১,৮৭০ টাকা বেতনেই সন্তুষ্ট থাকতে হবে।