দিনে ২৮টা ওষুধ খাই, আমি এমবিএ, ডক্টরেট, কাকা সাহিত্যিক! জামিন চাইলেন পার্থ।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ আদালতে কেঁদে ফেললেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। আবারও করুণ মুখে জামিন চাইলেন তিনি। তাঁর অবস্থা বিবেচনা করতে অনুরোধ করলেন বিচারপতিকে। শুক্রবার আলিপুর আদালতে দু’পক্ষের সওয়াল-জবাবের পর বিচারপতিকে কিছু বলতে চান এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়া পার্থ। বলার অনুমতি পেয়ে তিনি বলেন, ‘এসএসসি স্বশাসিত সংস্থা, আমার তাতে নিয়ন্ত্রণ ছিল না, মন্ত্রী হিসেবে আমি দেখতাম না’।

আরও পড়ুনঃ পিছিয়ে গেল টালা ব্রিজের উদ্বোধনের দিন! পুজোর আগে কি চালু হবে?

তাঁর প্রশ্ন, ‘‘আমার ভূমিকা কী? প্রাথমিক বোর্ড কিংবা এসএসসি স্বয়ংশাসিত দফতর। তারা প্রার্থীদের চয়ন করত। আমি অর্থনীতিতে স্নাতক।’’ এর পর তাঁর পরিবারের অন্যান্যদের পরিচয় তুলে ধরেন প্রাক্তন মন্ত্রী। ‘আমার কাকা প্রবাদপ্রতিম সাহিত্যিক ছিলেন। আমার মা-বাবা দু’জনেই ছিলেন উচ্চশিক্ষিত। আমি নিজে এমবিএ, ডক্টরেট। রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র ছিলাম। দীর্ঘদিন একটি নামী সংস্থায় উঁচু পদে চাকরি করেছি। আমায় জামিন দেওয়া হোক।”

দিনে ২৮টা ওষুধ খাই, আমি এমবিএ, ডক্টরেট, কাকা সাহিত্যিক! জামিন চাইলেন পার্থ।
দিনে ২৮টা ওষুধ খাই, আমি এমবিএ, ডক্টরেট, কাকা সাহিত্যিক! জামিন চাইলেন পার্থ।

তার পর বিচারকের উদ্দেশে বলেন, ‘‘স্যার আমি খুব অসুস্থ। কে আমাকে সাহায্য করবে? সারা দিন অনেক ওষুধ খাই।’’ প্রায় কাঁদতে কাঁদতে করুণ মুখে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘বিচারের প্রতি আস্থা রাখছি। আপনি আপনার মতো বিচার করবেন। আপনার কাছে বিচারের আশায় আছি।’’

SPECIAL REPORT Partha

এরপর পার্থর আইনজীবী বিচারপতির উদ্দেশ্যে বলেন, “ইডি গ্রেফতার করেছে প্রায় ৬০ দিন হতে চলল। এখনও ইডি চার্জশিট দিতে পারেনি।  ‘‘ওঁর পিছনে কিছু হলে, উনি কী করবেন? সমাজের প্রতি পার্থের দায়বদ্ধতা প্রমাণিত। সমাজের প্রতি ওঁর অবদান রয়েছে। তা ছাড়া অভিযোগও এখনও প্রমাণিত নয়। তা ছাড়া উনি কোথাও পালিয়েও যাচ্ছেন না। তা হলে গ্রেফতারের কী প্রয়োজন?’’

দিনে ২৮টা ওষুধ খাই, আমি এমবিএ, ডক্টরেট, কাকা সাহিত্যিক! জামিন চাইলেন পার্থ।

Partha Chatterjee 1

পার্থ চট্টোপাধ্যায় বিচারপতিকে নিজের শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে বলেন, তিনি সুস্থ থাকার জন্যে দিনে ২৮ টা ওষুধ খান। একাধিক ক্রনিক ডিজিজে ভুগছেন। সব মিলিয়ে সর্বক্ষনের সঙ্গী শারীরিক কষ্ট, জেলে থাকায় সেই কষ্ট অনেকটাই বেড়েছে তাই তাঁকে জামিন দেওয়া হোক। যদিও মনোবাঞ্ছা পূর্ণ হয়নি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত