গত বছর ১ সেপ্টেম্বর 'এক দেশ এক ভোট' বিলের বাস্তবতা খতিয়ে দেখতে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করে দেয় কেন্দ্র সরকার। চলতি বছর ১৪ মার্চে সেই কমিটি রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে একটি রিপোর্ট জমা দিয়েছিল। কমিটির সেই রিপোর্ট অবশেষে আসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়।
বিজেপির ডাকে আয়োজিত পদযাত্রা থেকে বুধবার নিজেদের সরিয়ে নিল জোটসঙ্গী জেডিএস। আর এর দায় সরাসরি গেরুয়া শিবিরের উপরেই চাপিয়েছেন দলের সুপ্রিমো এইচ ডি কুমারস্বামী।
সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি বিজেপি। ৪০০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে পদ্মের বিজয় রথ থেমেছে ২৪০-এ। ফলে শরিকদের সমর্থন নিয়ে তৃতীয়বারের জন্য দেশের মসনদে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর সর্বক্ষেত্রেই সেই কারণে গুরুত্ব দিতে হচ্ছে এনডিএ শরিকদের। বুধবার যে কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেট কমিটি গঠন করলেন নরেন্দ্র মোদি, সেখানে এই বিষয়টা আরও স্পষ্ট হল বল মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঠিক করে দিয়েছেন ডেপুটি স্পিকার পদের নতুন প্রার্থী। আর তৃণমূলনেত্রীর সেই নামে ইতিমধ্যেই সিলমোহর দিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এবং সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব।
কংগ্রেস সাংসদ জয়রাম রমেশ সাফ জানিয়েছেন, বিতর্কের শুরুতেই প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারি নিয়ে তাঁরা আলোচনা চান। একেবারে স্পষ্টভাবে বলতে গেলে, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে জবাবদিহি করতেই হবে বলে দাবি ইন্ডিয়া জোটের।
ডেপুটি স্পিকার পদটি চন্দ্রবাবু নায়ডুর দল টিডিপিকে ছাড়তে পারেন নরেন্দ্র মোদি। এটা কার্যত 'দুধের স্বাদ ঘোলে' মেটানোর মতন হলেও আপাতত শরিকদের তাতেই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে। ডেপুটি স্পিকারের ক্ষেত্রে যে নামটি উঠে আসছে তিনি হলেন টিডিপি সংসদ হরিশ বালাযোগী।