টানা দশদিন ট্রেন বাতিলের খবর পেয়েই চিন্তার ভাজ নিত্যযাত্রীদের কপালে। অন্যান্য ট্রেনের সময় নজরে রাখতে হবে। সংশ্লিষ্ট বাতিল ট্রেনগুলির পরিবর্তে গন্তব্যে সঠিক সময়ে পৌঁছাতে আগের ট্রেনগুলি ধরার চেষ্টা করতে হবে যাত্রীদের।
রবিবারের পর সোমবারেও উত্তপ্ত হুগলির রিষড়া। সোমবার রাত থেকে একাধিক জায়গায় বোমাবাজির খবর মিলেছে। যার জেরে মঙ্গলবার সকাল থেকে রিষড়া জুড়ে জারি ১৪৪ ধারা। একাধিক জায়গায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। সকাল থেকে হাওড়া-ব্যান্ডেল শাখায় একাধিক ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। গলে দুর্ভোগে আম জনতা।
শুক্রবার দেশজুড়ে হাওড়া-শিয়ালদহ থেকে আজ বাতিল হল মোট ৩০৭টি ট্রেন। কুয়াশার কারণে একাধিক লোকাল, এক্সপ্রেস এবং প্যাসেঞ্জার ট্রেন বাতিল করেছে রেল। আবার যাত্রীদের জন্য নির্ধারিত সময়ের থেকে আরো কিছুক্ষণ পরে ছাড়বে ট্রেনগুলো। ফলে বেশ ভালই দুর্ভোগ পোহাতে হবে যাত্রীদের।
রাত পোহালেই বড়দিন। শহরমুখী হবে জনতা। তাছাড়া রাজ্যের কোনায় কোনায় চলবে বনভোজন থেকে পারিবারিক অনুষ্ঠান। অথচ উৎসবমুখর বাঙালির জন্য কোন সুখবর দিতে পারল না রেল। বাতিল হল একাধিক ট্রেন। ফলে বলা যায়, বড়দিনে বাড়ল ভোগান্তি, চিন্তায় রাজ্য বাসী
বর্ধমান থেকে ৩৬৮৪০ (বর্ধমান-হাওড়া কর্ড লোকাল), গুড়াপ থেকে ৩৬০৭২ (গুড়াপ-হাওড়া লোকাল), বারুইপাড়া থেকে ৩৬০১২ (বারুইপাড়া-হাওড়া লোকাল)। এর জেরে ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়তে পারেন যাত্রীরা।
হাওড়া-বর্ধমান কর্ড লাইনে লোকাল ট্রেনের সংখ্যা এমনিতেই কম। তার মধ্যে সোম থেকে শনিবার প্রত্যেক দিন গড়ে দু’টি লোকাল ট্রেন, একটি আপ এবং একটি ডাউন বাতিল করায় যাত্রীরা সমস্যায় পড়বেন। বর্ধমান থেকে কলকাতা বা কলকাতা থেকে বর্ধমান পৌঁছতে গেলে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে যাত্রীদের।
আজ থেকে টানা ১১দিন বন্ধ থাকবে হাওড়া-বর্ধমান লোকাল ট্রেন। কর্ড এবং মেন লাইনে ট্রেন বাতিল রাখছে পূর্ব রেল। শক্তিগড়ে কাজ চলার জন্য সেজন্য আজ থেকে আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত হাওড়া-বর্ধমান শাখায় (কর্ড এবং মেন লাইন) দৈনিক তিন জোড়া লোকাল ট্রেন বাতিল করা হয়েছে।