গত আগস্ট মাসে লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের অফিসে তদন্ত চালায় ইডি। প্রায় ১৮ ঘন্টা ধরে তল্লাশির পর কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি বাজেয়াপ্ত করে। তদন্তকারী আধিকারিকরা বেরিয়ে গেলে অফিসের লোকেরা বুঝতে পারে সংস্থার একটি কম্পিউটারে ১৬ টি ফাইল ডাউনলোড করা হয়েছে। এনিয়ে লালবাজারে অভিযোগ দায়ের হয়। লালবাজার ইডির কাছে জবাব চায়।
রাজ্যেজুড়ে দুর্নীতি! আর এই দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে একাধিক নেতা-প্রভাবিত ব্যক্তিদের। একের পর এক বিতর্কের মাঝেই উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। এহেন পরিস্থিতির মাঝেই কলকাতা থেকে বদলি হয়ে গুয়াহাটিতে গেলেন এক ইডির আধিকারিক। জানা যাচ্ছে, ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র অফিসের ফাইল ডাউনলোড বিতর্কের জেরেই এই বদলি। ইতিমধ্যেই গুয়াহাটির ইডি অফিসে তিনি যোগ দিয়েছেন ওই অফিসার।
ইডির মামলা খারিজের আবেদন জানিয়ে বৃহস্পতিবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তাঁর আইনজীবী। পাশাপাশি বিষয়টি দ্রুত শুনানি করে দেখার আর্জি জানানো হয়। আগামী শুক্রবার এই মামলার শুনানি হতে পারে।
সিজার লিস্ট অনুযায়ী, ওই সংস্থার ২০১৭ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত বিভিন্ন হিসেবনিকেশের নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সংস্থার কর্মীদের প্রোফেশনাল ট্যাক্স সংক্রান্ত নথিও তদন্তকারীদের হাতে এসেছে।
তল্লাশিতে এসে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট আধিকারিকরা নাকি লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার কম্পিউটারে বেশ কিছু ফাইল ডাউনলোড করে গেছেন! সংস্থার মতে, যে ফাইল আগে তাদের কম্পিউটারে ছিলও না, বা তাঁদের কোন কর্মী তল্লাশির পর এই কাজ করেননি বলে তাঁরা নিশ্চিত। এবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলে কলকাতা পুলিশের সদর দফতর লালবাজারের দ্বারস্থ হলেন লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার এক কর্মী।