ধৃত প্রাক্তনী সৌরভ চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই আরও দু'জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃতদের বিরুদ্ধে নিহত স্বপ্নদীপকে মানসিকভাবে চাপ দেওয়ার পাশাপাশি নানা অভিযোগ রয়েছে। এদের মধ্যে একজন মৃত পড়ুয়ার রুমমেট ছিল।
বুধবার রাতে যাবদপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র স্বপ্নদীপ কুণ্ডুর রহস্যজনকভাবে ম্রৃত্যু হয়। মেন হোটেলের নীচে তাঁর রক্তাত্ত দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের তরফে অভিযোগ, র্যাগিংয়ের শিকার ‘যদু’ (ভালোবেসে যাবদপুরের পড়ুয়াদের দেওয়া নাম) বংশের নবাগত স্বপ্নদীপ। এবার আজ যাদবপুর ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় প্রথম কাউকে গ্রেফতার করল পুলিশ। তিনি আবার বিশ্ববিদ্যালয়েরই প্রাক্তন ছাত্র। নাম সৌরভ চৌধুরী।
তবে আসিফ মণ্ডলের মৃত্যুটা সত্যিই কী আত্মহত্যা? নাকি নেপথ্যে রয়েছে অন্য কারোর হাত! পলিশ তার পরিবার ও বন্ধুদের সাথে কথা বলছে । এখনও পর্যন্ত কোন তথ্য সামনে আসেনি তবে কাল ময়না তদন্তের রিপোর্ট সামনে আসলে সমস্ত ঘটনাটা সামনে আসবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উৎকর্ষ ধরে রাখতে প্রাক্তনীদের কাছে অর্থ সাহায্য চেয়ে হাত পাততে বাধ্য হয়েছে যাদবপুর কর্তৃপক্ষ। ‘ভাঁড়ারে টাকা নেই’, এ কথা মানতে পারছেন না রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। এমনকি প্রাক্তনীদের অর্থ সাহায্যের বিষয়টিকে ‘নৈতিক দায়িত্ব’ বলে জানিয়েছেন তিনি।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় পড়তে গেলে ইংরেজি ভাষায় পড়তে হবে। এরফলে যেসমস্ত পড়ুয়া ছোট থেকে বাংলা মিডিয়ামে পড়াশোনা করেছে বা গ্রামে পড়াশোনা করেছে তাদের বেশ অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তাই তারা বাধ্য হয়ে প্রথম সেমিস্টারে ভালো ফল করলেও পরবর্তী সেমিস্টারে তারা ছেড়ে চলে যাচ্ছে অন্য কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়। এমনই ভাষা বিভ্রান্ত দেখা যাচ্ছে রাজ্যের এবং দেশের প্রথম শ্রেণির বিশ্ববিদ্যালয়।