নজরবন্দি ব্যুরো: চরম সঙ্কটের মুখে শিক্ষাক্ষেত্র। আর্থিক অনটনের ধাক্কায় বেসামাল বিশ্ববিদ্যালয়গুলি। বিপাকে যাদবপুর, প্রেসিডেন্সি সহ বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়। অর্থাভাবে কার্যত অচলাবস্থার দিকে এগোচ্ছে উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি। হাত পড়ছে জমানো টাকায়। রাজ্যের উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে এবার অর্থ সঙ্কটের ধাক্কা।
আরও পড়ুন: ভোরের হাওয়ার শীতের ইঙ্গিত, কবে আসবে ঠাণ্ডা, জানিয়ে দিল আবহাওয়া দফতর


বিশ্বের নানা প্রান্তে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনীদের উদ্দেশে খোলাখুলি প্রতিষ্ঠানের এই সমস্যার কথা জানিয়েছেন উপাচার্য সুরঞ্জন দাস (Suranjan Das)। ২৪ অক্টোবর তিনি গ্লোবাল যাদবপুর ইউনিভার্সিটি অ্যালামনি ফাউন্ডেশনকে লেখা তাঁর চিঠিতে বলেছেন, ‘আমি আপনাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য তহবিল গঠনের আবেদন করছি। যাতে পরিকাঠামো বজায় রাখা এবং তা উন্নত করতে, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে আমাদের প্রতিযোগিতা করার ক্ষমতাকে শক্তিশালী করতে অর্থ সমস্যায় না পড়তে হয়।’

আর্থিক অনটনের ধাক্কায় বেসামাল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, প্রাক্তনীদের কাছে সাহায্য উপাচার্যের

চিঠিতে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় এমন তহবিল সংকটের সম্মুখীন হয়েছে যে, একাডেমিক শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগে এই সমস্যা বেশি বলে উল্লেখ করেছেন উপাচার্য। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য বলেন, “কোভিডকালে আমরা ছাত্রছাত্রীদের থেকে কোনও টাকাপয়সা নিইনি। কনসালটেন্সি থেকে যে আয় হত, সেটাও বন্ধ হয়ে যায়।” ইতিমধ্যেই এই চরম অর্থ সমস্যার কথা জানিয়ে রাজ্য সরকারকে চিঠিও দেওয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির তরফে। তবে চিঠিতে লাভের লাভ কিছু হয়নি বলে সূত্রের খবর।









