পাকিস্তান এবং ভারতের বিভিন্ন এলাকায় কম্পন তৈরি করেছে, তেমনি আবার আশার কথা হলো, এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে, ভূমিকম্পের তীব্রতা ও এর প্রভাব এলাকায় ভবিষ্যতে কিছু পরিবর্তন আনতে পারে। সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
গত পাঁচ বছরে নেপাল-তিব্বত সীমান্তে কমপক্ষে ৩০টি মৃদু ভূমিকম্প হয়েছে। তবে, মঙ্গলবারের ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল অনেক বেশি। সিসমোলজিস্টদের মতে, এই অঞ্চলে ভূমিকম্প হওয়ার প্রবণতা আরও বাড়তে পারে।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আহবান জানিয়েছেন, যেন তারা উদ্ধার তৎপরতার সাথে চালানোর পাশাপাশি সময়মতো আহতদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার মাধ্যমে হতাহতের সংখ্যা কমিয়ে আনতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যান।
মহাষ্টমীর দিনে সাত সকালে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দিল্লি-সহ সংলগ্ন NCR অঞ্চল। যদিওবা জানা যাচ্ছে, এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল দিল্লি বা ভারতের কোনও এলাকা নয়। বরং এই কম্পনের উৎসস্থল নেপালের ধাদিং। ভূমিকম্পের জেরে আতঙ্কে ছড়িয়েছে গোটা রাজধানীতে।