শুক্রবার ভোররাতে একটি বড়সড় ভূমিকম্প নেপাল এবং পাকিস্তানকে কেঁপে উঠিয়ে দেয়। নেপাল এবং পাকিস্তানের পাশাপাশি ভারতের বিভিন্ন এলাকাতেও এই কম্পনের প্রভাব পড়েছে। দার্জিলিং, শিলিগুড়ি, পাটনা সহ আরও অনেক শহরে এই কম্পন অনুভূত হয়েছে। তবে, এখন পর্যন্ত ভূমিকম্পের কারণে কোনো বড় ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি।
ভূমিকম্পের উৎস এবং মাত্রা
ন্যাশনাল আর্থকোয়েক মনিটরিং অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটি ২টা ৩৬ মিনিটে নেপালের বাগমতী প্রদেশের সিন্ধুপালচক জেলার ভৈরবকুণ্ড এলাকায় অনুভূত হয়। এই ভূমিকম্পের রিখটার স্কেল পরিমাপ ছিল ৬.১। ভূমিকম্পের গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার। তবে, ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার অফ সেসমিলজির তথ্য অনুযায়ী, ভারতের ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৫।


ভূমিকম্পের প্রভাব
ভারতের বিভিন্ন এলাকাতেও ভূমিকম্পের প্রভাব লক্ষ্য করা গেছে। বিহারের সীমান্ত এলাকা সহ পাটনা, দার্জিলিং এবং শিলিগুড়ির মতো শহরগুলোতে কম্পন অনুভূত হয়েছে। বাড়ি, সিলিং ফ্যান দুলতে দেখা গেছে। তবে, কোন বড় ক্ষয়ক্ষতির খবর এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
নেপালে ভূমিকম্পের আড়াই ঘণ্টার মধ্যে পাকিস্তানেও কম্পন অনুভূত হয়। পাকিস্তানে রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৫। সেখানেও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
অন্যান্য অঞ্চলে প্রভাব
নেপাল এবং পাকিস্তানের পাশাপাশি ভূমিকম্পের প্রভাব তিব্বত ও চিনের একাধিক অঞ্চলেও পড়েছে। তবে, দুই দেশেই আফটার শকের খবর মেলেনি।


ভূমিকম্পটি একদিকে যেমন নেপাল, পাকিস্তান এবং ভারতের বিভিন্ন এলাকায় কম্পন তৈরি করেছে, তেমনি আবার আশার কথা হলো, এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে, ভূমিকম্পের তীব্রতা ও এর প্রভাব এলাকায় ভবিষ্যতে কিছু পরিবর্তন আনতে পারে। সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।







