এদিকে ডেঙ্গু মোকাবিলায় রাজ্যের পরিকাঠামো যথাযথ রয়েছে তা নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তাই আজ নবান্নের তরফে মুখ্যসচিব বলেন, আরও টেস্টের সংখ্যা বাড়াতে হবে। ডেঙ্গি প্রতিরোধে খাল পরিষ্কারে জোর দেওয়া আগামিকাল থেকেই ।
পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, আগের বছর করোনা পরিস্থিতির সময়ে এই সমস্ত ওয়ার্ডগুলি থেকে যারা মশাবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়েছিল, তাদের সকলের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও স্বাস্থ্যকর্মীদের তরফ থেকেও বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে ওই ওয়ার্ড গুলিতে। তার মতে এইসমস্ত ওয়ার্ড গুলিতে ঘন জনবসতি থাকায় হু হু করে বেড়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। তাই এবার আরও কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার কথা শোনা গিয়েছে পুরনিগমের তরফে।
শীত শেষ হতে না হতেই মশার উপদ্রপ শুরু, রাজ্য জুড়ে থাবা বসাচ্ছে ডেঙ্গুর। অতিরিক্ত জ্বরের সঙ্গে প্রস্রাব দিয়ে রক্তক্ষরণও হতে থাকে বলে দাবি করেছে তার পরিবার। প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে দিব্যরাজকে স্থানান্তরিত করে হুগলির আরামবাগ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে গভীর রাতে চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হয় তাঁর। একমাত্র ছেলের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে। তার রিপোর্টে ডেঙ্গু (Dengue Death) পজিটিভ এসেছিল।
করোনার সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে ডেঙ্গু, সাতদিনে রাজ্যে আক্রান্ত ৭৪৭ জন। এ বছর নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ৯১৬ জন। গত বছর এই একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৭৯৪ জন।
গোটা জলপাইগুড়িতে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রভাব। যা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শহরজুড়ে ৷ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আক্রন্ত এলাকাগুলিতে মশা মারার স্প্রে করার কাজ শুরু করল জলপাইগুড়ি পুরসভা।