নজরবন্দি ব্যুরো: রাজ্যে হুহু করে বাড়ছে ডেঙ্গু। ডেঙ্গু সংক্রমণে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে নবান্নের আধিকারিকের কপালে। গত ২ সপ্তাহের রিপোর্ট দেখে ডেঙ্গু সংক্রমিত এলাকাগুলিকে চিহ্নিত করে জেলাগুলিকে সতর্ক করেছিল নবান্ন। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করেন মুখ্যসচিব। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, ৪ থেকে ১১ অগাস্টের মধ্যে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন ৫৪৮ জন।
আরও পড়ুন:ফিক্সড ডিপোজিটে সুদের হার বাড়ছে, একসাথে সুখবর দিল ৪ ব্যাঙ্ক


বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, ১১ থেকে ১৭ অগাস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গি সংক্রমণ ধরা পড়েছে ৫৩৫ জনের। একাধিক মৃত্যুর খবরও উঠে এসেছে।জানুয়ারি থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ১৮৪জন। এই সপ্তাহে ১২ হাজার ৩৮৩ জনের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। তারমধ্যে ৪.৩২ শতাংশ ডেঙ্গি সংক্রমণ ধরা পড়েছে।মশাবাহিত এই রোগ নিয়ে এবার জেলাগুলিকে সতর্ক করলেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী।

রেকর্ড বলছে, ২০২০ ও ২০২১ সালের তুলনায় এ বছর আরও বেড়েছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা। ফলে, নবান্ন এবার জেলাগুলিকে বিশেষভাবে সতর্ক করল। শুধু তাই নয়, ইতিমধ্যেই বিশেষভাবে পাঁচটি জেলাকে চিহ্নিত করা হয়েছে যেখানে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা সব থেকে বেশি। পাঁচ জেলার মধ্যে রয়েছে হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, কলকাতা, হুগলি ও জলপাইগুড়ি।
১ সপ্তাহে ৪.৩২ শতাংশ বাড়ল ডেঙ্গির প্রকোপ, চিন্তায় নবান্ন



স্বাস্থ্য দফতর বলছে, বাংলার গ্রামীণ এলাকার ১৬টি ব্লকের ডেঙ্গি পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগের। ডেঙ্গি রোগের জীবাণু বহন করে এডিস ইজিপ্টাই মশা। পরিষ্কার জলে ডিম পাড়ে এই মশা। পুরো জীবনচক্রে মশার শরীরে ডেঙ্গির জীবাণু বেঁচে থাকে। ফলে স্ত্রী মশা ডিম পাড়লে তার মাধ্যমে জন্মানো নতুন মশার শরীরেও ডেঙ্গির জীবাণু সংক্রমিত হয় এবং সেই মশা কামড়ালে রোগ ছড়ায় মানুষের শরীরে।







