দিল্লি পৌঁছে বিকেলে তৃণমূলের সংসদীয় দলের বৈঠকে যোগ দেবেন মমতা। এর পাশাপাশি দিল্লিতে সাংবাদিকদের সাথে চা চক্রে যোগ দেবার কথাও রয়েছে তাঁর। পাশাপাশি ইন্ডিয়া জোটের শরিকদের সাথেও দেখা করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
মুখ্যমন্ত্রীর এই দিল্লি যাওয়ার টালবাহানা নিয়ে কটাক্ষ করতে শুরু করেছে সিপিআইএম, তাঁরা বলেন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতেই দিল্লি যাত্রা করছেন। সেইসঙ্গে সেটিং এর রাজনীতি বলেও কটাক্ষ করেছে বিরোধী শিবির।
লোকসভা নির্বাচনের পর এটাই হতে চলেছে মমতার প্রথম দিল্লি সফর। রাজ্যের একাধিক দাবিদাওয়ার কথা তিনি প্রধানমন্ত্রীকে জানাতে চান। ১০০ দিনের কাজ বা আবাস যোজনার বকেয়া অর্থ কবে পাওয়া যাবে তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। পাশাপাশি, শনিবার নীতি আয়োগের বৈঠকে মমতা কী বলবেন তা নিয়ে প্রস্তুতি চলছে সচিবালয়ে। জোগাড় করা হচ্ছে অনেক নথিপত্র।
১৮৬০ সালে তৈরি ভারতীয় দণ্ডবিধি অর্থাৎ ইন্ডিয়ান পেনাল কোড বদলে হয়েছে ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা’। ১৮৯৮ সালে তৈরি ফৌজদারি দণ্ডবিধি অর্থাৎ ক্রিমিনাল প্রসিডিওর অ্যাক্ট-কে বদলে করা হয়েছে ‘ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা’ এবং ১৮৭২ সালের ভারতীয় সাক্ষ্য আইন অর্থাৎ ইন্ডিয়ান এভিডেন্স অ্যাক্ট-কে করা হয়েছে ‘ভারতীয় সাক্ষ্য বিল’।