বিজিপিএম সভাপতি অনিতা থাপা জিটিএ চিফ এক্সিকিউটিভ হবেন, তা মোটামুটি পাকা। কিন্তু বাকি পদগুলিতে কারা বসবেন, যোগ্য প্রার্থী কারা, এই নিয়ে শুরু হয়েছে বিরাট জল্পনা। জিটিএর বোর্ডে থাকছে তৃণমূলন? তা নিয়ে জল্পনা বিস্তর।
উত্তাপের আঁচ সরিয়ে আজ পাহাড়ে চলছে জিটিএ এবং শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের নির্বাচন। সকাল সাতটা থেকে শুরু নির্বাচনে ভোট দিতে আসেন কার্শিয়াং কেন্দ্রে ভোট দিলে ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চার সভাপতি অনিত থাপা। কিন্তু ভোট বয়কট করলেন বিমল গুরুং। গোপন সূত্রে খবর, নির্বাচন মিটলেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে পারেন তিনি।
তবুও হার মানতে নারাজ সৃজিত মুখোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন আমি কোন অন্যায় করিনি, এটা একটা সিনেমার অংশ, আমি একজন বাঙালি হয়ে কিভাবে বাংলা ভাগের পক্ষ্যে সমর্থন করব। এককথায় পাহাড়ে ফেলুদার শুটিং কতখানি জনপ্রিয়তা পাচ্ছে সেটা বলা না গেলেও বিতর্ক কিন্তুু একটা তৈরী হয়েছে।
এখনও তাঁর বক্তব্য জিটিএ চুক্তি অনুযায়ী বাড়তি ক্ষমতা না দিয়ে পাহাড়ের মানুষের সঙ্গে বঞ্চনা করছে সরকার। তাই আমরণ অনশনের বসছেন তিনি। এমনকি জিটিএর বিরোধিতায় বিজেপিকে আহ্বান গুরুংয়ের।
জিটিএ একটি অসাংবিধানিক বোর্ড। এর কাছে কোনও ক্ষমতা নেই । জিটিএ আইন তৈরিতে সক্ষম নয়। আগামী দিনে জিটিএ নির্বাচনের বিরুদ্ধে পথে নেমে আন্দোলন হবে। নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই হুঙ্কার দিলেন দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্ত।
অবশেষে সমস্ত জল্পনা কাটিয়ে পাহাড়ে হচ্ছে নির্বাচন। মঙ্গলবার দার্জিলিংয়ে সর্বদলীয় বৈঠকের শেষে একথা জানালেন জলপাইগুড়ির ডিভিশনার কমিশনার। আগামী ২৬ জুন পাহাড়ে নির্বাচন। ফলপ্রকাশ ২৯ জুন। ২৭ মে এবিষয়ে সরকারী বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে।
ঘটনার পরেই নড়েচড়ে বসেছে দার্জিলিং জেলা বামফ্রন্ট। ঘটনায় নাম জড়িয়েছে সিপি(আই)এমের রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য জীবেশ সরকারের। এবার সেই ঘটনায় সরব হল দার্জিলিং জেলা সিপি(আই)এম। তাঁদের বক্তব্য, জীবেশ সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।