নজরবন্দি ব্যুরোঃ জিটিএ নির্বাচন হাতে গোনা বাংলার কয়েক জন নেতা ও ঠিকাদারদের টেন্ডার প্রসেস। বিজেপি এবং তাঁর সহযোগী দলগুলি এর মধ্যে নেই। জিটিএ একটি অসাংবিধানিক বোর্ড। এর কাছে কোনও ক্ষমতা নেই । জিটিএ আইন তৈরিতে সক্ষম নয়। আগামী দিনে জিটিএ নির্বাচনের বিরুদ্ধে পথে নেমে আন্দোলন হবে। নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই হুঙ্কার দিলেন দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্ত।
আরও পড়ুনঃ Sourave Ganguly: ইস্টবেঙ্গলে আসছে ম্যান ইউ? এবার মুখ খুললেন খোদ সৌরভ


দার্জিলিংয়ের সাংসদের কথায়, জিটিএ নির্বাচন আসলে গোর্খাদের বিরুদ্ধে। যারা গোর্খাদের পক্ষে, গোর্খা সংস্কৃতির পক্ষে তাঁরা এই নির্বাচনের বিরোধীতা করবে। মমতা দিদি যদি গোর্খাদের নিয়ে এতকিছু ভাবেন তাহলে তার উচিত শীঘ্রই পঞ্চায়েত নির্বাচন করানো। এর অর্থ হল ২০০ কোটি টাকার বিনিময়ে তরাই ডুয়ার্স এলাকার নেতাদের কিনে নিতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলিকে নিয়ে বৈঠক করেন দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক তথা জিটিএ নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব সামলানো এস পুণ্যবালাম। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্পেশ্যাল অবজার্ভার এ জি বর্ধনও। সেখানেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


২৭ মে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারির প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। নির্বাচনের সমস্ত বিষয়েই এদিন আলোচনা হয়েছে। আগামী ২৬ জুন নির্বাচন এবং ফল ঘোষণা ২৯ মে। যদিও এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিল না বৈঠকে বিজেপি, জি এন এল এফ এবং সিপিআরএম।
জিটিএ নির্বাচনের বিরুদ্ধে পথে নেমে আন্দোলন, ঘোষণা সাংসদের

তবে এদিন সর্বদলীয় বৈঠকে গেলেও জিটিএ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সিংমারির দলীয় কার্যালয়ে রিলে অনশনে বসেছে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। তারা কি জিটিএ ভোটে লড়বে? সেই প্রশ্নের কোনও সদুত্তর মেলেনি। সাধারণ সম্পাদক রোশন গিরি শুধু জানিয়েছেন, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। বরং রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্রমাগত ঝাঁঝ বাড়িয়ে চলেছেন বিমল গুরুং। তবে কী পাহাড়ে নতুন কোনও সমীকরণ শুরু হচ্ছে? জল্পনা রাজনৈতিক মহলে।








