নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২০১২ সালের পর পাহাড়ে জিটিএর নির্বাচনে বিরাট জয় অনীত থাপার ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চার। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার কারণে অনিত থাপারাই বোর্ড গঠনের দায়িত্বে থাকবে তা একেবারে পরিষ্কার। বিজিপিএম সভাপতি অনিতা থাপা জিটিএ চিফ এক্সিকিউটিভ হবেন, তা মোটামুটি পাকা। কিন্তু বাকি পদগুলিতে কারা বসবেন, যোগ্য প্রার্থী কারা, এই নিয়ে শুরু হয়েছে বিরাট জল্পনা। জিটিএর বোর্ডে থাকছে তৃণমূলন? তা নিয়ে জল্পনা বিস্তর।
আরও পড়ুনঃ Gold Price: সস্তায় সোনা কেনার শেষ সুযোগ, এরপর ১০০০ টাকা বাড়বে সোনালী ধাতুর দাম
নিয়ম মেনে চিফ এক্সিকিউটিভ থাকবেন একজন। এই পদ অনীত থাপার তা একেবারেই স্পষ্ট। ডেপুটি চিফ এক্সিকিউটিভ, একজন চেয়ারম্যান এবং একজন ডেপুটি চেয়ারম্যান কারা হবেন? তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে পাহাড়ে। এছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষা, সংস্কৃতি ভূমি সংস্কার, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া, পর্যটন সহ বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্ব কাদের দেওয়া হবে? তা নিয়েই তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে।

শোনা যাচ্ছে, তৃণমূলের জোট সঙ্গী হিসাবে অনীত থাপাদের তরফে বিনয় তামাংদের জায়গা দেওয়া হতে পারে। যদিও এবিষয়ে কোনও পক্ষই মুখ খোলেনি। ৭ জুলাই কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানেই স্থির হবে কে কোন পদে বসবে। শোনা যাচ্ছে জিটিএ বোর্ডের শপথে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। যদিও এবিষয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন অনীত থাপা।
জিটিএর বোর্ডে থাকছে তৃণমূল? উঠছে প্রশ্ন

উল্লকেহ্য, ২০১২ সালে জিটিএর ক্ষমতায় এসেছিল গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। ২০১৬ সালে বিমল গুরুং এবং ওশন গিরিদের পদত্যাগের পরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পাহাড়। দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ের জিটিএ সামলেছেন বিনয় তামাং এবং অনীত থাপারা। পরে তৃণমূলে যোগদান করেন বিনয় তামাং। রাজ্য সরকারের সঙ্গে সুসম্পর্কের কারণে এবার বিনয় তামাংয়ের জায়গা হতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।



