সূত্রে খবর, প্রায় ৩৭ লক্ষ টাকা খরচ করে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি ক্যাম্পাস ও হস্টেল মিলিয়ে মোট ২৬ টি জায়গায় সিসি ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ইতিমধ্যেই ওয়েবেল টেকনোলজি লিমিটেডকে (WTL) অর্ডার পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
পরে এ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। সিআইডি তদন্ত করতে গিয়ে সিসিটিভি ফুটেজ খুঁজে পায়নি। সেই সিসিটিভি ফুটেজটি ছিল বজবজ থানার। তাই নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে কলকাতা হাইকোর্ট।
অবশেষে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে শুরু হল সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর প্রক্রিয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ জানিয়েছেন, ‘স্ট্র্যাটেজিক পয়েন্ট’ অর্থাৎ প্রতিটি গেট, হস্টেল এবং যে সমস্ত জায়গাগুলিতে মানুষের আনাগোনা বেশি সেই সব জায়গাগুলিতের প্রথম দফায় সিসিটিভি বসাবো হবে।
কাঁথি পুরসভা নির্বাচনে ছাপ্পা ভোট হয়েছে কী না তা খতিয়ে দেখার জন্য কেন্দ্রীয় গবেষণা সংস্থা সিএফএসএলের ওপর দায়িত্ব দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। কিন্তু সিএসএফলএল পরীক্ষায় রাজি নয় রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল কমিশন। ১৪ জুন অবধি মামলার মুলতুবী ঘোষণা করা হয় আদালতের তরফে।
কাঁথি পুরসভায় ছাপ্পাভোটের অভিযোগ -এ কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন শুভেন্দু অধিকারীর ভাই সৌমেন্দ্যু অধিকারী। সমস্ত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজের ফরেন্সিক পরীক্ষা করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চ।
সময় পেরিয়ে গেলেও এখনও অবধি আনিসের মৃত্যু রহস্যভেদ করা সম্ভব হয়নি। এরই মধ্যে ফের পুলিশের ওপর ভরসাহীনতার কথা উল্লেখ করল আনিসের পরিবার। পুলিশের ওপর ভরসা নেই, তাই নিজের উদ্যোগে সিসিক্যামেরা লাগালেন আনিসের বাবা।
ছাত্রনেতা আনিস খানের মৃত্যুতে দানা বাঁধতে শুরু করেছে রহস্য। আনিসের সমাধিতে সিসিটিভি নজরদারি রাখা হয়েছে পুলিশের তরফে। বৃহস্পতিবার আনিসের বাবার তরফে এই দাবী করার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই তা মেনে নিল প্রশাসন।