গরুপাচার মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত ব্যবসায়ী আব্দুল লতিফ। ইলামবাজার পশু হাটের মালিক অনুব্রতর ঘনিষ্ঠ হওয়ার পাশাপাশি গরুপাচার মামলা অন্যতম অভিযুক্ত এনামুল হকের ডান হাত এই লতিফের নাম সিবিআই যে চার্জশিটেও রয়েছে।
পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং মানিক ভট্টাচার্যের পর নিয়োগ দুর্নীতিতে অন্যতম বড় পদক্ষেপ তদন্তকারী সংস্থার। ইতিমধ্যেই তাঁকে নিজাম প্যালেসে নিয়ে এসেছে সিবিআই। জীবনকৃষ্ণের আন্দির বাড়ি থেকে যে সমস্ত তথ্য পাওয়া গেছে, সেই সমস্ত তথ্যকে সামনে রেখে সোমবার জীবনকৃষ্ণকে হেফাজতে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। সিবিআই সূত্রে খবর, গরু পাচারের সঙ্গে যোগ ছিল জীবনকৃষ্ণের।
গরু পাচার মামলায় চার কাস্টমসের অফিসারকে তলব করল সিবিআই। চলতি সপ্তাহেই নিজাম প্যালেসে চার অফিসারদের তলব করা হয়েছে। অভিযোগ, এনামুল ও আবদুল লতিফের সঙ্গে যোগ ছিল কাস্টম অফিসারদের। কাস্টম অফিসারদের মারফত ঘুরপথে গরু কিনে বাংলাদেশে পাচার করা হত। তাই একাধিক অফিসারদের বাড়িতে তল্লাশি অভিযানের পর এবার তলব করল সিবিআই।
গত ১১ অগাস্ট নিচুপট্টির বাড়ি থেকে গ্রেফতার হন অনুব্রত মণ্ডল। আসানসোল জেল থেকে সম্প্রতি তাঁকে দিল্লির তিহাড় জেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁকে তিহাড় জেলে হেনস্থা করা হচ্ছে। শুক্রবার নিচুপট্টির বাড়িতে ঢুকেই ভাঙচুর চালালেন কেষ্ট কন্যা সুকন্যা মণ্ডল। তৃণমূলের স্থানীয় কর্মীদের অনেকেই এদিন বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন।
গরু পাচার মামলায় এই মুহুর্তে তিহাড় জেলে রয়েছেন বীরভূম তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। বুধবার দিল্লি হাইকোর্টে তাঁর জামিনের আবেদনের মামলার শুনানি ছিল। কিন্তু সেই মামলা ৪ মাস পিছিয়ে দিল বিচারপতি দীনেশ শর্মার ডিভিশন বেঞ্চ। তাই মুক্তি নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। আরও চার মাস জেলে থাকতে হবে কেষ্টকে।